আমাদের ভারত, ১২ এপ্রিল: হাঁসখালি থেকে নামখানা রাজ্যে একের পর ধর্ষণের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে জনমানসকে। আইনের উপর থেকে মানুষের আস্থা হারাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের চারটি ধর্ষণের মামলা তদন্ত চলবে কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে। মঙ্গলবার এমনটাই রায় দিয়েছে রাজ্যের উচ্চ আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের তদারকিতে বিশেষ টিম গঠন করে তদন্ত চালানো হবে। সেই টিমের নেতৃত্বে থাকবেন আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেন।
রায় ঘোষণার সময়েই আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার মাটিয়া এবং মালদহের ইংরেজবাজার ধর্ষণের রায় দেয় আদালত। বলা হয়েছে মাটিয়া, ইংরেজবাজার বাঁশদ্রোণী এবং দেগঙ্গার ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত চলবে হাইকোর্টের গঠিত টিমের নজরদারিতে।
মামলাকারীরা দাবি করেছিলেন, তদন্ত চালাতে হবে দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বে। এই শুনানি চলাকালে বিচারপতি বলেন, হাইকোর্ট থেকে একটি বিশেষ দল গঠন করা হবে যে দলের সদস্যরা রাজ্যের সমস্ত ধর্ষণ মামলার তদন্তে তদারকি করবে। এই টিমের নেতৃত্বে থাকবেন আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেন। তাঁর যদি কোনও সমস্যা হয় তবে তিনি আদালতকে তা জানাবেন।
আগামী ২০ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
গত কয়েকদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা সামনে উঠে আসছে। হাঁসখালি থেকে নামখানা, মাটিয়া থেকে বোলপুর পরপর পাশবিক নারী নির্যাতনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয় মাটিয়া, ইংরেজবাজার ধর্ষণ মামলার। পরপর ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে বিচারপতির প্রশ্নের উত্তরে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেছেন, রাজ্যের প্রতিটি স্তরে রাজনীতি বিরাজ করছে। প্রতিটি ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয়, আদালতের নজরদারিতে চারটি ধর্ষণ মামলার তদন্ত চলবে।

