আমাদের ভারত, বীরভূম, ৫ নভেম্বর: আগামী শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের ২০৫টি বি এড কলেজ ছাত্র- ছাত্রী ভর্তি নিতে পারবে না। শিক্ষার মান এবং পরিকাঠামোর উন্নতি হলে আগামী ২০২৮ সালের পর তারা পুনরায় কলেজ চালাতে সক্ষম হবে, এমনটাই জানালেন উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
জগন্নাথবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিকাশ ভবনে এসে পরিস্কার জানিয়েছিলেন শিক্ষাকে পণ্য হতে দেওয়া হবে না। সেই মতো রাজ্যের সমস্ত বি এড কলেজে পরিদর্শন দল পাঠানো হয়েছিল। কলেজের শিক্ষার মান, পরিকাঠাম সহ বেশ কিছু দিক দেখা হয়েছিল। তাতে প্রথম দফায় ১৫৬টি বি এড কলেজকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তারা ২০২৬– ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র- ছাত্রী ভর্তি করতে পারবে। বাকি ৪৫১টি কলেজ গুনমান অতিক্রম করতে না পারায় তাদের ২১ দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। বেশ কিছু পরিকাঠামো উন্নতি করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ৯টি কলেজ শোকজের জবাব দেয়নি। বাকি কলেজ জাবাব দিয়েছিল। সেই ভিত্তিতে সেই সমস্ত কলেজে পুনরায় পরিদর্শন দল পাঠানো হয়েছিল। একই পরিদর্শক দলকে দ্বিতীয়বার একই কলেজে পাঠানো হয়নি। ফলে দ্বিতীয় দফায় ৪৪২টি কলেজ আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে ২৩৭টি গুণমান অতিক্রম করতে পাড়ায় তাদের ৪ নভেম্বর থেকে ছাত্র- ছাত্রী ভর্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাকিরা বর্তমান শিক্ষাবর্ষে ছাত্র- ছাত্রী ভর্তি করতে পারবে না। তবে তাদের কলেজ একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হবে না। আগামী দিনে তারা তাদের গুণমান অতিক্রম করতে পারলে তাদের নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে।”
একইভাবে ২৬৫টি আই টি আই কলেজের মধ্যে ১৪টি আই টি আই’কে পুরোপুরি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা কোনভাবে ছাত্র- ছাত্রী ভর্তি করতে পারবে না। ১৩৪টি ফার্মা কলেজের মধ্যে ৩৮টি কলেজকে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৭৪টি পলিটেকনিক কলেজের মধ্যে একটি কলেজকে ছাত্র- ছাত্রী ভর্তি বন্ধ করতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দোকান খুলে ডিগ্রি বিক্রি করতে দেব না। শিক্ষার পরিকাঠামো উন্নতি করলে ফের সেই সমস্ত কলেজকে ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হবে।

