আমাদের ভারত আরামবাগ, ২৩ জুন: একটি যাত্রীবাহী বাস বর্ধমান থেকে মুথাডাঙ্গা যাবার সময় আরামবাগের আদম বাঁধের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই মহিলার, আহত প্রায় ৪০ জন। স্থানীয় মানুষ উদ্ধার করে তাদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই ঘটনার জেরে রাস্তা বেশ কয়েক ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে পরে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বর্ধমান বাস স্ট্যান্ড থেকে ছেড়ে আরামবাগের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে বাসটি দ্রুত গতিতে আসার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে উল্টে যায়। ঘটনার জেরে বাসের মধ্যে থাকা দুই মহিলার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। প্রায় ৪০ জনের মত যাত্রী আহত হন। তাদের মধ্যে তিন শিশু সহ পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সকলকে আরামবাগ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটে হুগলির আরামবাগের আদম বাঁধ এলাকার কাছে আরামবাগ- বর্ধমান রোডে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান আরামবাগ থানার পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

উল্লেখ্য, রাস্তায় বড় বড় গর্ত ছিল। যাত্রীও ছিল অনেক।তাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে গিয়ে এই বিপত্তি ঘটে। খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ ও দককল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে যায় ও উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে তার আগে এলাকার বাসিন্দারা যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পরেই বিধানসভার অধিবেশন ছেড়ে পথ দুর্ঘটনায় জখমদের দেখতে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান তিন বিধায়ক। যথা আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ, পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ ও খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ। জখমদের চিকিৎসা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন ও জখমদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
মেডিকেল কলেজ থেকে বেরিয়ে পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই এসেছি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

