কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তৃণমূলের, ব্যবস্থা গ্রহণ নির্বাচন কমিশনের

রাজেন রায়, কলকাতা, ২ এপ্রিল: ভোটার কার্ড চেক করার জন্য আছেন প্রিসাইডিং অফিসাররা। রয়েছেন বিভিন্ন দলের পোলিং এজেন্টরাও। তারপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী অতি সক্রিয় হয়ে অনেক মানুষের ভোটার কার্ড চেক করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার এই নিয়ে তারা অভিযোগ জানাল কমিশনে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন যশবন্ত সিনহা, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট নেতৃত্ব।

কার্যত সেই দাবিতেই কমিশন সন্ধ্যায় ঘোষণা করল, কোনওভাবেই ভোটারদের ভোটারকার্ড পরীক্ষা করতে পারবেন না কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

নির্বাচন সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যা নিয়ে শুক্রবার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ ছিল, দুই দফা ভোটে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ব্যাপক হারে অসামাজিক কাজ হয়েছে। ভোটকে রীতিমত প্রভাবিত করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি অধিকার না থাকলেও অনেক ভোটকেন্দ্রেই ভোটারদের ভোটারকার্ড পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। শুধু তাই নয়, বহু জায়গায় ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে না দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন জওয়ানরা। ফলে প্রভাব পড়েছে ভোটপর্বে।

তৃণমূলের তরফে এই জোরালো অভিযোগের পরেই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ডানা ছেঁটে নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দেয়, প্রিসাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া বুথে ঢুকতে পারবেন না কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে ভোটারদের ভোটারকার্ড পরীক্ষা করার ক্ষেত্রেও জারি করা হয়েছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এডিজি অশ্বিনী কুমার সিংকে একথা জানিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *