“বন্যেরা বনে সুন্দর, তৃণমূল নেতারা জেলে,” অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই গ্রেফতারের ঘটনায় কটাক্ষ সুকান্ত’র

আমাদের ভারত, ১১ আগস্ট: বৃহস্পতিবার গরু পাচার কাণ্ডে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সিআরপিএফের ১০০ জওয়ান তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। তারপর সিবিআই তাকে গ্রেপ্তার করে দুর্গাপুরে নিয়ে যায়। চড়াম চড়াম বলা এই নেতা গ্রেপ্তার হওয়ার পরই তাকে ও তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, “আগেই বলেছিলাম খাঁচা তৈরি হচ্ছে হয়ে গেলেই খাঁচার জিনিস খাঁচায় ঢুকে যাবে। বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে আর তৃণমূল নেতারা জেলে সুন্দর। কারণ তৃণমূলের সবাই তো চোর। এবার বোঝা যাবে কত বড় বীর পুরুষ তিনি।”

সিবিআইয়ের সমন এড়াতে বার বার অসুস্থতার কথা বলেছেন অনুব্রত। শ্বাসকষ্টের কথা বলে বিশ্রামের পৈ রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। আজ তার গ্রেফতারের পর সুকান্ত মজুমদার বলেন, এবার জেলে বিশ্রাম করুন। তাঁর কথায়,
“সিবিআইয়ের দশবার সমনে যাননি। এতদিন লুকোচুরি খেলছিলেন। লুকোচুরি খেলা শেষ হতেই ধাপ্পা খেয়ে গেছেন। এবার জেলে থেকে বিশ্রাম করুন। মাথায় অক্সিজেনও ভালো পৌঁছাবে। ”

অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “অনুব্রত মণ্ডল মাফিয়া। যাদেরকে উনি মুড়ির টিনে ভরে গরু পাচারের টাকা পাঠিয়েছেন। আশা করি তাদের নামও সিবিআইকে জানাবেন।”

বাম নেতা সুজন চক্রবর্তি বলেছেন, “যখন উনি চড়াম চড়াম ঢাক বাজানোর কথা বলতেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্রয় দিয়েছেন। পুলিশকে বোমা মারার কথা বললে মুখ্যমন্ত্রী সার্টিফিকেট দিয়েছেন। অনুব্রত মণ্ডল এমনই দাপুটে নেতা যে সব জেলার তৃণমূল জেলা সভাপতি বদল হয়েছে, শুধুমাত্র বীরভূম ছাড়া। তিনি আসলে মুখ্যমন্ত্রীর স্নেহধন্য। তাই এই গ্রেপ্তারিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিবৃতি দিন সেই দাবি রাখছি।”

দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “ঘনিয়ে এল ঘুমের ঘোর, গানের পালা সাঙ্গ মোর। অনুব্রত মণ্ডলের খেলা শেষ। ঠক বাছতে গাঁ উজাড়। গ্রেপ্তারির লাইনে অনেকেই অপেক্ষায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *