রাজেন রায়, কলকাতা, ২৬ জুলাই: প্রথমদিকে দ্রুতহারে ভ্যাক্সিনেশন চললেও এখন ফের যোগানের অভাবে ঝিমিয়ে পড়েছে ভ্যাকসিন দেওয়া। ফের রাজ্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে মানুষের হয়রানি।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের ভ্যাকসিন চিত্রটা এখন ঠিক কি রকম, রাজ্যের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইল হাইকোর্ট। রাজ্যে টিকাকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল। ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয়কেই হলফনামা দিতে হবে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে।
জোভেরিয়া সাব্বার করা একটি মামলা সহ ভ্যাকসিন সংক্রান্ত মোট ৬টি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে। আজ ছিল সেই সবকটি মামলার একসঙ্গে শুনানি। আর সেখানেই টিকাকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। কেন্দ্র বিভিন্ন রাজ্যকে কত ভ্যাকসিন দিয়েছে, তাও জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের আইনজীবীকে। রাজ্যের তরফে এ দিন জানানো হয়েছে, ১ কোটি ৫৮ লক্ষের বেশি মানুষ প্রথম ডোজ পেয়েছেন এ রাজ্যে। ৪৫ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই দুটি ডোজ পেয়েছেন। মোট ২ কোটি ৩ লক্ষের কিছু বেশি মানুষ সরকারি জায়গা থেকে টিকা পেয়েছেন। বেসরকারি জায়গা থেকে টিকাকরণ হয়েছে ২৭ লক্ষের।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এ দিন রাজ্য সরকারের কাছে জানায়, টিকা নিয়ে কারা অসুস্থ হয়েছেন সেই হিসেব দিতে হবে। প্রশ্ন করা হয়, ‘বৃদ্ধ মানুষদের লাইন কেন দিতে হচ্ছে? ওল্ডেজ হোমগুলিতে কি টিকা সম্পন্ন হয়েছে? ফ্রন্ট লাইন ওয়ার্কারদের কত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে? এ সমস্ত হিসেব দিতে হবে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে।

