প্রতীতি ঘোষ, আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ১২ নভেম্বর: “পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় কাশ্মীর হয়ে যাবে যদি কেন্দ্রীয় সরকার খুব তাড়াতাড়ি বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকাকে সম্পূর্ণ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত না করেন। “পেট্রোপণ্যের ওপর ভ্যাট কমানো ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্যারাকপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগদান করতে এসে কেন্দ্রীয় সরকারের সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে এই মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।
পেট্রোপণ্যের ওপর থেকে ভ্যাট কমানোর দাবিতে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে ব্যারাকপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখালো বিজেপি। এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন ব্যারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং, বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা ফাল্গুনী পাত্র, ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, জেলার সহ-সভাপতি বিজয় মুখার্জি, রাজ্য কমিটির যুব মোর্চার সদস্য কুন্দন সিং-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ শেষে তারা মহকুমা শাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
তৃণমূল সরকার মানুষের স্বার্থে নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থে কাজ করে চলছে। এই প্রসঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিং কটাক্ষ করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সরকার ওয়ান ওয়ে ট্রাফিকের মত কাজ করছে, যেখানে কেন্দ্র তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছিল বলে রাজ্য দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল কিন্তু এখন বিজেপি সরকার জ্বালানির দাম কমালেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই পথে না হেঁটে আগের বর্ধিত দামেই তেল বিক্রি করছে যা উচিত না। এই সরকারের মুখোশ খুলে পড়ছে। আর তৃণমূল সরকারের জন্য মানুষের ওপর বোঝা চাপছে।”
সাংসদের দাবি, বাংলার সীমান্তবর্তী অঞ্চল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা উচিত। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে দ্বিতীয় কাশ্মীর হওয়া থেকে বাঁচাতে হলে কেন্দ্রের উচিত যত টা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা আছে সবটাই কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে রূপান্তরিত করা উচিত। শীঘ্রই এই কাজ শেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারের এই ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়া উচিত যাতে রাজ্যের মানুষকে আগামী দিনে সমস্যায় না পড়তে হয়।”
এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন রাজ্য সম্পাদিকা ফাল্গুনী পাত্র, ব্যারাকপুর জেলার সহ-সভাপতি বিজয় মুখার্জি, রাজ্য কমিটির যুব মোর্চার সদস্য কুন্দন সিং-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

