পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ৮ নভেম্বর : “এখন পশ্চিমবঙ্গ জঙ্গি রপ্তানি করছে।সারাদেশে কোথাও জঙ্গির ক্রিয়া-কলাপ নেই, তাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে জঙ্গি রপ্তানি হচ্ছে। সারা ভারতের যত গ্যাংস্টার আছে তারা বাংলা এসে নিরাপদে লুকিয়ে রয়েছে। এখানে জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প তৈরি করে সারা ভারতবর্ষে জঙ্গি পাঠিয়ে উৎপাত করানো হচ্ছে।” আজ খড়্গপুরে চা চক্রে যোগ দিয়ে একথা বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
ডায়মন্ড হারবারে আল-কায়েদা জঙ্গি ধরা পড়ার ঘটনায় গতকাল দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, জঙ্গিরা শিক্ষক হয়ে মাদ্রাসায় ও মৌলবি হয়ে মসজিদে লুকিয়ে রয়েছে। তাঁর দাবি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, হাওড়া, মালদা এবং উত্তরবঙ্গের আরো কয়েকটা জেলা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ জঙ্গিদের ঘাঁটি হয়ে গেছে। সরকার যেহেতু এদের পাশে রয়েছে তাই কেউ গায়ে হাত দিচ্ছে না। জঙ্গিদের শনাক্ত করতে রাজ্যে তাড়াতাড়ি সিএএ চালুর দাবি জানিয়েছেন দিলীপবাবু।

খড়্গপুরে আজকের চা চক্রে জঙ্গি কার্যকলাপের পাশাপাশি বলেন, খড়্গপুরের মানুষ চিরদিন অত্যাচারিত হয়েছে, পুলিশের হাতে এবং এখানকার পার্টির হাতে। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর পুলিশের সাথে হাত মিলিয়ে মাফিয়াগিরি জোরদার করেছে। জেল থেকেই মাফিয়ারা এখানে অপারেট করে। যত বেআইনি কাজ– রেলের মাল চুরি করা থেকে শুরু করে বালি চুরি করা প্রকাশ্যে হচ্ছে।
দিলীপ ঘোষ বলেন, “গুন্ডা, মাফিয়ার পাশাপাশি এখন রাজ্যের মানুষ ডেঙ্গু নিয়ে নাজেহাল।পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কার কার সাথে লড়বে? গুন্ডা, মাফিয়া, দুর্নীতির সঙ্গে লড়বে আবার আবার ডেঙ্গুর সঙ্গেও লড়বে। কোথায় যাবে মানুষ?” ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের সাথে কথা বলা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলে, মমতা ব্যানার্জি সরকার চালাবেন, না পার্টি চালাবেন? কি করবেন বুঝে পাচ্ছেন না। তাই ঘুরে বেড়াচ্ছেন দিনরাত পার্টি বাঁচাবার জন্য। কারণ তাঁর দলে আর কোনও নেতা নেই, যারা আছেন সেই নেতাদের কোনও ভাবমূর্তি নেই এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।তৃণমুলের গোষ্ঠী কোন্দল সারা গায়ে ঘায়ের মত হয়ে গেছে। দু’চার জন বিজেপির লোককে কিনে নিয়ে গিয়ে যোগদান মেলা করছে তৃণমূল।

