আমাদের ভারত, ২৪ ডিসেম্বর: নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বকে কচুরিপানা আত আবর্জনা বলে কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই আবর্জনা কিভাবে পরিষ্কার করতে হয় তা তিনি জানেন। উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের কাছে তার আবেদন আপনারা শুধু সঙ্গে থাকুন বাকিটা আমি দেখে নেব। আজ কৃষিঋণ মুকুবের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকে এই হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির কৃষি বাঁচাও, কৃষক বাঁচাও কর্মসূচিতে তিনি বলেন, “পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মুকুব করতে হবে। মধ্যপ্রদেশে শিবরাজ সিং চৌহান পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ ছেড়ে দিয়েছেন। যোগী আদিত্যনাথ পর্যন্ত তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছেন। এখানে হবে না কেন? আদায় করতে হবে!”
শুভেন্দুবাবু বলেন, “এরা চরম দুর্নীতিগ্রস্থ। যত চাকরি হয়েছে আশা কর্মী থেকে, এসএসকে-এমএসকে কর্মী থেকে, সব নিজেদের বাড়িতে নিয়েছে। এমনকি রেলের চাকরি নিয়েছে জমির ভুয়া দলিলের মাধ্যমে। সব তালিকা আমার হাতে আছে। নন্দীগ্রাম দুনম্বর ব্লকে কীভাবে পানা আর আবর্জনা পরিস্কার করতে হয় শুভেন্দু অধিকারী ভালো করে জানে। আপনারা সঙ্গে থাকবেন। আপনাদের সামনে থাকতে হবে না, পিছনে থাকবেন। সামনে আমি থাকব। পুলিশ মারবে। মিথ্যে মামলায় ধরবে! তাতে কী হয়েছে? জীবনে কয়েক লক্ষ ত্রিপল বিলি করেছি। উল্টে আমার নামে অভিযোগ।
শুভেন্দুবাবু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো এখানে তাঁবু গেড়ে বসেছিলেন। একটা হেলিকপ্টার, বিশটা গাড়ি, দু হাজার সশস্ত্র রক্ষী, পায়ে ব্যান্ডেজ! আপনারা ভালো করে বিদায় জানিয়েছেন। আর কোনও দিন হাল ধরবেন না। আগে বলতাম নন এমএলএ মুখ্যমন্ত্রী। এখন বলি কম্পার্টমেন্টাল মুখ্যমন্ত্রী।“

