Vishwakarma Award, ‘বিশ্বকর্মা সম্মাননা’ দিল দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির

আমাদের ভারত, খড়দহ, ২০ সেপ্টেম্বর: শ্রম, কর্মদক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের মাটি কল্যাণ মন্দিরের উদ্যোগে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, তপন থিয়েটারের দ্বিতীয় তলায় অনুষ্ঠিত হল বিশ্বকর্মা সম্মাননা অনুষ্ঠান। সনাতন ঐতিহ্যের বিশ্বকর্মা পূজাকে শ্রম ও কর্মের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় এক বিশেষ সামাজিক বার্তা।

বন্দেমাতরম্ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুশান্ত মজুমদার, সম্পাদক মিলন খামারিয়া, সংস্কার ভারতী প্রবীণ কার্যকর্তা ভরত কুন্ডু, Sometics-এর Founder ও CEO শান্তনু সোম, বিশিষ্ট সমাজসেবী কল্লোল দাস, চিত্রশিল্পী -অভিজিৎ সরকার, তপন দেবনাথ, সুজাতা লাহিড়ী-সহ কলকাতার চলচ্চিত্র ও দূরদর্শনের বিশিষ্ট বাদ্যযন্ত্র শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশায় (রাজমিস্ত্রী, কলের মিস্ত্রি, গাড়ি সাড়াই এর মিস্ত্রি, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি) কর্মরত ৭৫ জন কর্মজীবীকে ‘বিশ্বকর্মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের কর্মনিষ্ঠা, দক্ষতা ও সমাজে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ মিশনের সংস্কৃতের দুই গবেষক সৈকত মহন্ত ও কৃষ্ণেন্দু বেরা বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ করেন। তাদের মন্ত্রপাঠে অনুষ্ঠানে সৃষ্টি হয় এক আধ্যাত্মিক আবহ। অনুষ্ঠানে সম্মাননা জ্ঞাপনের পাশাপাশি ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্ব। সঙ্গীত পরিবেশন করেন সঙ্ঘমিত্রা মিশ্র-সহ বহু বিশিষ্ট শিল্পী। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন সুমনা ভট্টাচার্য। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন জীতা লাহিড়ী। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ছন্দা হালদার ও শৈবাল সরখেল।

শ্রমজীবী মানুষের কর্ম, দক্ষতা ও অবদানকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কর্মের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বার্তাও উঠে আসে এই অনুষ্ঠানে। উদ্যোক্তাদের এই উদ্যোগ শ্রম ও কর্মের প্রতি সামাজিক সম্মান আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অভ্যাগতরা।

সম্পাদক মিলন খামারিয়া বলেন, সমাজ ও সভ্যতাকে নিজের হাতে গড়ে তোলেন এই বিশ্বকর্মারাই। বিশ্বের সার্বিক সৃষ্টি তাদের হাতেই। কিন্তু তারাই সমাজে থেকে গেছেন অপাংতেয় হয়ে। আজ এই মানব বিশ্বকর্মাদের সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্বিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *