অন্য ধর্ম ধ্বংসের যুদ্ধ কৌশল ! লাভ জেহাদ ও মাদক জেহাদের শিকার হিন্দু- খ্রীষ্টান মেয়েরা, দাবি ধর্মযাজকের

আমাদের ভারত, ১০ সেপ্টেম্বর:এতদিন হিন্দু সংগঠনের নেতারা লাভ জেহাদের অভিযোগ তুলেছেন, এবার খ্রিস্টান ধর্মজকও একই অভিযোগ তুললেন। কেরলের খ্রিস্টান ধর্মযাজক জোসেফ কালারানগাট দাবি করেছেন, লাভ ও মাদক জেহাদের মাধ্যমে অমুসলিম তরুণীদের টার্গেট করছে কট্টরপন্থীরা। তিনি দাবি করেছেন, হিন্দু ও খ্রিষ্টান মেয়েদের লাভ জেহাদের মাধ্যমে ভালোবাসার জালে ফাঁসিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। তারপর তাদের সন্ত্রাসবাদের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। নানা উপায়ে অন্য ধর্মকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এটা আসলে অন্য ধর্মকে ধ্বংস করার অন‌তম যুদ্ধ কৌশল।

কেরলের কোট্টাম জেলার কুরুভিলাগারুর গির্জার একটি অনুষ্ঠানের ধর্ম যাজক বলেন, “ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করা সম্ভব নয় সেটা কট্টরপন্থীরা বুঝে গেছে। আর সেই কারণেই অমুসলিমদের নিশানা করছে তারা নানা কৌশলে। জেহাদিরা আসলে মনে মনে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে চায়। তার জন্য দুটি অস্ত্র ব্যবহার করছে তারা, এক লাভ দুই মাদক জিহাদ। ভালোবাসা অথবা অন্য উপায়ে ভিন্ন ধর্মের মেয়েদের ধর্মান্তরিত করছে কট্টরপন্থীরা। এরপর তাদের মগজ ধোলাই করে তাদের অভিভাবক ও ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। তাদের সন্ত্রাসবাদী কাজ কর্মে নিযুক্ত করা হচ্ছে। এগুলো আসলে কোনো প্রেমের বিবাহ নয় এগুলো আসলে যুদ্ধের কৌশল। আমরা লাভ জিহাদের বিরোধী।”

অস্বাভাবিক হারে মাদকের বিক্রি বেড়ে যাওয়া প্রমাণ করে দেয়, মাদক জেহাদ কতটা বেড়েছে। ধর্মযাজকের কথায়, মাদক খাইয়ে অমুসলিম যুবকদের জীবন নষ্ট করার কাজ করা চলছে। স্কুল, কলেজ, হোস্টেল, অফিসের সামনে আইসক্রিম পার্লার সফট ড্রিংকের দোকান খুলছে জেহাদিরা। সেখানে খাবারের সাথে মাদক মিশিয়ে মাদকাসক্ত করা হচ্ছে খ্রিষ্টান মেয়েদের। এক্ষেত্রে তিনি কেরল থেকে আইএসের যোগদানের প্রসঙ্গ টেনেছেন। তিনি বলেন রাজ্যের খ্রিস্টান ও হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত করে আফগানিস্তানের জঙ্গি শিবিরে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা দরকার বলে মনে করছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *