উন্নয়নকে হাতিয়ার করে ভোট প্রচারে বনগাঁর তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল রায়

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৯ এপ্রিল: শুক্রবার সকাল থেকেই বনগাঁ পৌরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে গিয়ে ভোটের প্রচারের ফাঁকে জনসংযোগের পাশাপাশি এলাকার মানুষকে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন বনগাঁ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল রায়। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নকে মূল হাতিয়ার করে ভোটের প্রচারের কাজ সারছেন তিনি।

ভোটের প্রচারে বের হয়ে মূল অস্ত্র তিনি এলাকার উন্নয়নটাকেই ব্যবহার করছেন। জনসংযোগে বের হয়ে কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী সহ সরকারি নানা প্রকল্পের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নকেই প্রচারের আলোয় আনছেন তিনি। তবে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের নিরিখে তিনিই বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদী শ্যামল রায়।

এ বিষয়ে শ্যামলবাবু বলেন, ”আমার মূল উদ্দেশ্য স্বপ্নের বনগাঁ তৈরী করার। গত দশ বছরে গোটা এলাকায় উন্নয়নের কাজে গতি এনেছে বনগাঁর পৌর প্রধান শঙ্কর আঢ্য।

দশ বছর আগে এই বনগাঁ শহরকে দেখলে মনে হতো এটা বুঝি কোনও পিছিয়ে পড়া পঞ্চায়েত। উন্নয়ন যেন অনেক আগেই থমকে গিয়েছিল এখানে। সেই জায়গা থেকে তৃণমূল কাজ শুরু করেছে। এই বনগাঁয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করেছেন আমাদের নেত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

দুর্গা পুজো, ঈদ, বড়দিনে ফুল ফল মিষ্টি বিতরণ করেন বনগাঁর জনপ্রতিনিধিরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  ধর্ম আমাকে শিখিয়েছে নিজের ধর্মকে ঠিক রেখে অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। আমি বলি আমাদের নেত্রীর দেওয়া স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে তাদের পছন্দ মতো যে কোনও হাসপাতাল কিংবা নার্সিং হোমে গিয়ে চোখের চিকিৎসাটা করিয়ে নিন। কোথায় ছিলেন অশোক কীর্তনিয়া এতদিন? করোনা, লকডাউন, আমফানের সময়? আমফানের মতো বিপর্যয়ের পরেও আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সংস্কারের কাজ করেছি। বিদ্যুৎ পরিষেবা এনে দিয়েছি।” বিরোধী দলে যিনি দাঁড়িয়েছেন তিনি তো নিজেই বাংলাদেশি। তাই ওই বাংলাদেশি লোকজনদের বনগাঁর মানুষ কখনও মেনে নেবে না। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *