Vande Mataram, Bankim Chandra, “যাদের মধ্যে প্রকৃত শিক্ষা রয়েছে তারা বন্দে মাতরম্ গাইবেন,” বললেন বঙ্কিমচন্দ্রের পঞ্চম পুরুষ জয়দীপ

আমাদের ভারত, বীরভূম, ২৭ সেপ্টেম্বর: “যাদের মধ্যে প্রকৃত শিক্ষা রয়েছে তারা কখনও বন্দে মাতরম্ গান গাইতে অস্বীকার করবেন না। যাদের মধ্যে অশিক্ষা রয়েছে তারা এনিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করবেন।” ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বন্দে মাতরম্ জাতীয় গানের সার্ধ শতবর্ষে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা বলেন ঋষি বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পঞ্চম উত্তরপুরুষ কবি, সাহিত্যিক জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়।

রবিবার সন্ধ্যায় বীরভূমের রামপুরহাট থানার বড়শাল গীতাঞ্জলী শিক্ষায়াতনের পরিচালনায় এবং বান্ধব সমিতির সহযোগিতায় বন্দে মাতরম্ জাতীয় গানের ১৫০ বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঋষি বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পঞ্চম উত্তরপুরুষ জয়দীপ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী শুভাশিস চৌধুরী, অর্পণ নাগ, শ্রাবস্তি বন্দ্যোপাধ্যায়, আইনজীবী সুরজিত সিনহা, শৌমিলি চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নইসুভার সম্পাদক সাধন সিনহা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্র- ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে মানবিকতাকে জাগ্রত করার পরামর্শ দেন জয়দীপবাবু।

অনুষ্ঠান শেষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়দীপবাবু বলেন, “বন্দে মাতরম্ হচ্ছে ভারত মাকে বন্দনা করা। আমরা দেশকে ভালোবাসব না, দেশের জননীকে ভালোবাসব সেটা তো কখনও হয় না। গানের মধ্যে কোনো ধর্মীয় বিষয় নেই। আমাদের সবার মধ্যে দেশপ্রেম থাকা উচিত। ঋষি বঙ্কিম চন্দ্রও বলতেন দেশপ্রেম ধর্ম, আর ধর্মই দেশপ্রেম। যারা শিক্ষিত তারা জাতি- ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে বন্দে মাতরম্ গান উচ্চ স্বরে গাইবেন। যারা গাইছেন না তাদের বোঝাতে হবে। কারণ আমরা বিশ্বে একনম্বর হতে চাই। সেটা হতে গেলে আগে দেশ মাতৃকা বন্দনা করতে হবে। কোনরকম সঙ্কীর্ণতা মনের মধ্যে রাখলে চলবে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *