পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ১০ জুন: কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই বন্ধ থাকছে বালুরঘাটে রেলের রিজার্ভেশন সেন্টার। অসাধু কারবারীদের সাথে যোগ থাকার অভিযোগ টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রের একাংশ কর্মীদের। নিত্যদিনের এই সমস্যায় ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা। খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস বালুরঘাটের সাংসদের।
জানা যায়, বেশ কয়েক বছর আগে বালুরঘাট হাইস্কুলের মাঠের পাশে রেল দপ্তরের তরফে ওই টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রটি চালু করা হয়। যেখান থেকেই সমগ্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষরা দূর দূরান্তে ট্রেনে যাবার আগাম টিকিট বুক করে থাকেন। অনেক সময় গ্রামাঞ্চলের লোকজনকে ওই সংরক্ষণ কেন্দ্র থেকে টিকিট কাটবার জন্য রাতে মশারি খাটিয়েও সেখানে থাকতে দেখা গেছে। রেলের সেই টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রটি বেশকিছুদিন ধরে কোনো নোটিশ ছাড়া মাঝে মধ্যেই বন্ধ থাকছে। আর যার জেরে চরম সমস্যার মধ্যে পড়ছেন গ্রামাঞ্চল থেকে আসা সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ বেশকিছুদিন ধরে এই সমস্যা চলতে থাকলেও কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই রেল কর্তৃপক্ষের। যদিও কর্মী সঙ্কটের কারণেই এমন সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অনেকেই।
তবে একাংশ যাত্রীদের দাবি, অসাধু টিকিট কারবারীদের সাথে ওই কাউন্টারের একাংশ কর্মীদের যোগসাজশের কারণেই ঘটছে এমন ঘটনা। আর যার জেরে গত বুধবার থেকে বিনা নোটিশেই কার্যত বন্ধ হয়ে রয়েছে বালুরঘাটে রেলের ওই টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রটি। কোনো রকম আগাম নোটিশ না দিয়ে সরকারি ওই টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রটি কিভাবে বন্ধ থাকতে পারে তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন? হটাৎ করে কর্তৃপক্ষের এমন বন্ধের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আর যাকে ঘিরেই তুমুল ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। হয়রানিও হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাদের দাবি, রেল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর একটা সুব্যবস্থা করা হোক। যদিও এমন বিষয় হবার কথা নয়, খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখছেন বলেও জানিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
ট্রেনের টিকিট কাটতে আসা শহরের এক বাসিন্দা সুজিত সরকার বলেন, জরুরি কাজে বাইরে যাবার জন্য ট্রেনের টিকিট কাটতে এসেছিলেন। কিন্তু টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রটি বেশকিছুদিন ধরে বন্ধ থাকতে দেখছেন। বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।


পিন্টু কুন্ডুর রিপোর্ট আমায় মুগ্ধ করে। মানুষের সমস্যা উনি যে ভাবে তুলে ধরেন তাতে সাংবাদিকতার পাঠ উনি অন্যান্য দের দিতেই পারেন। 🙏