CM, BJP, ধর্মীয় স্থানে নির্ধারিত শব্দবিধি মানতে হবে, লঙ্ঘনে কড়া পদক্ষেপ করবে প্রশাসন, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

আমাদের ভারত, ১৪ মে: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং জনস্বার্থের বিষয় কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার পুলিশ সুপারদের এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই বৈঠকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে শব্দ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে পশু হত্যা বন্ধ করতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে।

ইতিমধ্যেই জারি হওয়া নির্দেশিকা মেনে প্রকাশ্যে পশু হত্যা সংক্রান্ত নিয়ম কার্যকর করা এবং সেটি যাতে যথাযথভাবে পালন করা হয় তা নিয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, যা নিয়ে চর্চাও শুরু হয়েছে।

এদিকে পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনো ধর্মীয় স্থান থেকে নির্ধারিত মাত্রার বাইরে যেন শব্দ ছড়িয়ে না পড়ে। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আগের নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করতেও পুলিশ প্রশাসনকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনালয়ের নামে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যেন ব্যাহত না হয় সেটাও লক্ষ্য রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে নির্ধারিত সাউন্ড লিমিট মেনে চলা হচ্ছে কিনা তাতেও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, বলে সূত্রের খবর। বহু মানুষের এই নিয়ে অভিযোগ আগেই জমা পড়েছে।

অন্যদিকে প্রকাশ্যে পশু হত্যা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে সেটা কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট অনুমোদিত জায়গা ছাড়া গবাদি পশু বলি দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে গরু, মহিষ, বলদ, বাছুরের মতো পশুর ক্ষেত্রে আইন ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকেই। এমনকি বেআইনিভাবে গাড়িতে করে পশু পরিবহনের ঘটনাও বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা সামনে এলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী শনিবার ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে গিয়ে বৈঠকে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবার কথা। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যত্রতত্র পশু হত্যা বা আইন বহির্ভূত পশু হত্যা এখন থেকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হবে। ১৯৫০ সালে সংশ্লিষ্ট আইন আরো কঠোরভাবে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের বৈঠকে সেটারই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *