BJP, Meeting, Education, লক্ষ্য রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন, বিকাশ ভবনে বৈঠক করলেন সুকান্ত- শুভেন্দু ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়

আমাদের ভারত, ১৩ জুলাই: কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বিকাশ ভবনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বিকাশ ভবনে আয়োজিত বৈঠকে রাজ্যের শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন, নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আজ বিকাশ ভবনে বৈঠকে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির পথ চলার রুপরেখা নির্ধারণ হয়। এই বৈঠকে সমস্ত ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মিড ডে মিল খাবার এবং শিক্ষার মান উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, আগের সরকার ভুল নীতির জন্য কেন্দ্রের সাহায্য পায়নি। তিনি আশ্বস্ত করেন, শিক্ষা পণ্য হবে না। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনীতি ঢুকবে না। এবার থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।

বিগত তিন বছরে ভারত সরকারের নীতি না মানার ফলে বিগত সরকার কোনো অর্থ নেয়নি। ভারত সরকার দিতে চাইলেও দিতে পারেনি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এই
অর্থবর্ষের বরাদ্দ রাজ্য পাবে। প্রাইমারি, আপার প্রাইমারি, হাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র- ছাত্রীদের আধুনিক শিক্ষা দেওয়া যায় কী করে, ছাত্র ও শিক্ষক- শিক্ষিকার রেশিও ঠিক রাখা যায় কী করে, শিক্ষক ও অধ্যাপক নিয়োগকে রাজনীতি মুক্ত করে অত্যন্ত পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা যায় কী করে, বিদ্যালয় গুলিকে আধুনিক মানের করা যায় কী করে, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজ।

প্রাইমারি, আপার প্রাইমারি, হাই স্কুলের ক্ষেত্রে কম্পোজিট গ্রান্ড তিন বছর ধরে তারা পায়নি। ৮১ হাজার বিদ্যালয়কে রাজ্য সরকার টার্গেট করেছে। সেখানে সব জায়গায় মিড ডে মিল রান্না হবে গ্যাসে। পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল বসানো হবে। পরিচ্ছন্ন শৌচালায় থাকবে, আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল থাকবে। সব বাচ্চারা ভালো থালায় খাওয়া দাওয়া করবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি হবে। রাঢ় বঙ্গ দিয়ে শুরু হয়েছে বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম। যে বিদ্যালয়গুলিতে এখনো ফ্যান লাগানো হয়নি, গরমে বাচ্চারা কষ্ট পায়, সেখানে ফ্যান লাগানো হবে। বালিকা বিদ্যালয়গুলিতে এবং কোয়েড স্কুল ও কলেজ গুলিতে ছাত্রীদের জন্য স্যানিটাইজার ভেন্ডিং মেশিন চালু করা হবে। এছাড়াও যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা যতগুলো এনওসি দিয়েছি, তারা ফাংশন করছে, সেগুলি ইন্সপেকশন হবে।

বৈঠকের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে জট পাকিয়েছে আগের সরকার। ওবিসি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে জট পেকে আছে। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে রাজ্য সরকার এবিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে। এরপরেই মৌখিক পরীক্ষা হবে বাকি ছয় হাজারের। কোনো রাজনৈতিক লোক থাকবে না নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। এই সরকার মেধা দেখে নিয়ম মেনে কাজ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *