আমাদের ভারত, ২ এপ্রিল: পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষার অনিয়মের বিষয়গুলি নিয়ে সমস্ত ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারি সংগঠনের একত্রিত হয়ে আন্দোলনে নামা উচিত। শনিবার এইমন্তব্য করলেন ‘বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সঙ্ঘ’য়ের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপী প্রামাণিক।
শুক্রবার ফালাকাটার বিধায়কের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বিধানসভায় জানান, ২০২২ সাল অবধি রাজ্যে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ রয়েছে ৩ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯২০ জন। এর প্রেক্ষিতে বাপীবাবু এই প্রতিবেদককে বলেন, “মাননীয় বিধায়ককে ধন্যবাদ জানাই এই ধরনের প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করার জন্য। এই সংখ্যা দেখে বোঝা যাচ্ছে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল কি।
রাজ্যে সরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার, তাহলে দেখা যাচ্ছে গড়ে প্রতি বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষক কম রয়েছে। গ্রামের বিদ্যালয়গুলির অবস্থা আরও ভয়ানক। অসংখ্য বিদ্যালয় শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হয়েছে অথবা হতে চলেছে। এই সরকারের আমলে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া হচ্ছে না বললেই চলে।
প্রতিদিন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে প্রশ্ন উঠছে, মাননীয় বিচারপতি সি বি আই-কে তদন্ত ভার দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই করুন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চাইছেন বাংলার বেকার যুবসমাজ তথা সাধারণ মানুষ। কিন্তু সে বিষয়ে কোনও মাথাব্যাথা নেই শিক্ষা দফতরের। যত দিন যাচ্ছে গোটা দেশের সাপেক্ষে বেতন বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে এই রাজ্যে।“

