আমাদের ভারত, আলিপুরদুয়ার, ৫ ডিসেম্বর:
চার দিন নিখোঁজ থাকার পর রবিবার সকালে হাসিমারা দশ নং বীচ চা বাগানের সামনে ভুটান গামী এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের ধারে ঝোপঝাড় থেকে উদ্ধার হল জয়ঁগা থানার ট্রাফিক এ এস আই রতন করের মৃতদেহ। গত বুধবার থেকে নিখোঁজ ট্রাফিক এ এস আই রতন কর। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার ভোরে হাসিমারা দশ নম্বর এলাকায় ঝোপঝাড়ে মৃতদেহের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে জয়গাঁ থানা, কালচিনি থানা, হাসিমারা ফাঁড়ি ও আলিপুরদুয়ারের পুলিশ পৌছে এলাকাটি ঘিরে দেয়। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশ সুপার ভোলানাথ পাণ্ডে। নিয়ে আসা হয় ট্রাকিং ডগ। এই ট্রাকিং ডগটি দলসিংপাড়া মাল গুদাম লাইন পর্যন্ত যায় তল্লাশি চালাতে চালাতে।
উদ্ধার হয়েছে মৃত ট্রাফিক এএসআই-এর হেলমেট ও বাইকটি। যে স্থান থেকে মৃত ট্রাফিক এএসআই-এর দেহ উদ্ধার হয়েছে সেখান থেকে হাসিমারা ডুয়ার্স ধাবা পুলিশের নাকা চেকিং পয়েন্টের দুরত্ব মাত্র তিনশো মিটার। গত বুধবার ডুয়ার্স ধাবার সামনে চেকিং পয়েন্টে ডিউটি করতে আসার কথা ছিল তার।
পুলিশ আধিকারিকের দেহ উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা জেলা জুড়ে। ইতিমধ্যেই পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করেছেন। কিভাবে একজন পুলিশ আধিকারিক হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যেতে পারেন।

প্রসঙ্গত ১ ডিসেম্বর দুপুরে জয়গাঁ থানা থেকে বাইকে চেপে হাসিমারা ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ে নাকা পয়েন্টে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তারপর থেকেই তাঁর কোনও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। চারদিন ধরে বহু খোঁজাখুঁজির করলেও তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। জানা যায় রতন করের বাড়ি কোচবিহার জেলার দিনহাটায় এবং শ্বশুরবাড়িও কোচবিহারে।
পুরো ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয় ভুটান সীমান্ত জয়ঁগা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায়। এদিন সকালে ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় মৃত ট্রাফিক এ এস আই রতন করের কন্যা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ময়নাতদন্তের জন্য ওই পুলিশ আধিকারিক এর দেহ আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

