আমাদের ভারত, ২৯ অক্টোবর: এখন থেকে সরকারি স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকারা কেউ কোনো সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবে না। নতুন এই নীতির কথা বুধবারই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে কোনো রাজনৈতিক দল করা না গেলেও সংগঠন করার ক্ষেত্রে আপত্তি নেই সরকারের। বৃহস্পতিবার এ কথা স্পষ্ট করেছেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবার থেকে সরকারি স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকাদের জন্য নয়া বিধি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিধিতেই থাকবে এই শর্ত। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে চর্চা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। এই আবহে মন্ত্রী দীপক বর্মন বলেছেন, এটা নতুন কিছু নয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা ইতিমধ্যে এই নিয়মের আওতায় আছেন। এবার সরকার পোষিত স্কুলের ক্ষেত্রে নিয়ম চালু করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বেশিরভাগ রাজ্যে এই নিয়মটা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অরাজনৈতিক যে সব সংগঠন আছে সেগুলি করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের কোনো বাধা থাকছে না।
বুধবার মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায় এই সিদ্ধান্ত। শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন নিজেও একজন শিক্ষক ছিলেন, তাই তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন তাদের সরকারের আমলে যত শিক্ষক- শিক্ষিকা নিয়োগ হবে, তারা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবে না। তারা অনুমতি দেবেন না। নতুন নিযুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিয়ে এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার।
শিক্ষকরা ক্লাস না করে কেন সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করবেন? কেন ভোটে দাঁড়াবেন? এই বিতর্ক দীর্ঘদিনে। এবার এই বিষয়ে রাজ্য সরকার কড়া সিদ্ধান্ত নিতেই আলোচনা- সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

