মধ্যরাতেই হাইকোর্টের নির্দেশের পাল্টা পিটিশন জমা টেট প্রার্থীদের, আজই শুনানি হতে পারে

আমাদের ভারত, ২১ অক্টোবর:
১৪৪ ধারা জারি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গতকাল মধ্যরাতেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে একটি পিটিশন দাখিল করেছেন আন্দোলনকারীরা। সেই মামলা আন্দোলনকারীদের করার অনুমতিও দিয়েছে আদালত। জরুরি ভিত্তিতে সেই মামলার শুনানি আজ হতেও পারে। কিন্তু সেই শুনানির আগেই আন্দোলনকারীদের চ্যাংদোলা করে টেনে হিঁচড়ে তুলে দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ হাইকোর্টে মামলা করে আর্জি জানায় সল্টলেক করুণাময়ী চত্বরে টেট প্রার্থীর আন্দোলন করছেন। সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সেখানে অবস্থান জমায়েত তুলে দেওয়া হোক। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির লোপিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পর্ষদের সামনে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে যা বজায় রাখবে প্রশাসন ধর্ণা তুলে দিতে যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নিতে পারে প্রশাসন।

শিক্ষা দপ্তরের যতটা পরিধি জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি সেই আওতার মধ্যে চলছিল দুটি অবস্থান। একটা ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আরেকটি ২০১৭ সালের।

হাইকোর্টের ১৪৪ ধারা সংক্রান্ত নির্দেশের পর এলাকায় সন্ধ্যে থেকে পুলিশের আনাগোনা বাড়লেও আন্দোলনকারীদের তোলা সম্ভাবনা দেখা যায়নি। প্রথমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। কিন্তু রাত বাড়তে পরিস্থিতির বদল ঘটে। পুলিশ আন্দোলন তোলার চেষ্টা করে। ১৪৪ ধারার কথা বলে অবস্থান সরানোর কথা মাইকিং করে পুলিশ। ৫ বা তার বেশি সংখ্যায় মানুষের জমায়েতে আইনত নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে পুলিশ। তখন আন্দোলনকারীরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ছড়িয়ে ছড়িয়ে বসে থাকেন।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি ২০১৪ সালের আন্দোলনকারীদের কার্যত চ্যাংদোলা করে টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের ধস্তাধস্তিতে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এমনকি নাক ফেটে যায় একজনের। ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।

২০১৭ সালে চাকরিপ্রার্থীদেরও বিক্ষোভ একইভাবে তুলে দেয় পুলিশ। প্রথমে কথা বলে চেষ্টা করে। না হওয়ায় গায়ের জোর প্রয়োগ করে আন্দোলনকারীদের তুলে দেয় পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *