আমাদের ভারত, ২১ অক্টোবর:দিল্লি–পাঞ্জাব সীমানায় আন্দোলনরত কৃষকদের এবার কড়া বার্তা দিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিল, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আন্দোলন নাগরিকের মৌলিক অধিকার হতে পারে কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা আটকে রেখে সেটা চলতে পারে না।
শুনানিতে আন্দোলনকারী কৃষকদের পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জানান, কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরী করতেই পরিকল্পনা করে রাস্তা আটকে রেখেছে পুলিশ। তাদের দাবি, নয়াকৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যেতে দিল্লির রামলীলা ময়দান, যন্তর-মন্তর ছেড়ে দেওয়া হোক আন্দোলনরত কৃষকদের জন্য। কিন্তু এই দাবির বিরোধিতা করে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ঘটে যাওয়া লালকেল্লার ঘটনার কথা মনে করিয়েছেন।
দুপক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর বিচারপতি এসকে কলের বেঞ্চ জানায়, রাস্তা বন্ধ থাকার জন্য যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে তা স্বীকার করতেই হবে। গত বছরও দিল্লিতে শাহিনবাগ আন্দোলনের সময় সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছিল, রাস্তা আটকে অন্যের চলাফেরায় সমস্যা তৈরি করে দীর্ঘদিন বিক্ষোভ দেখানো যেতে পারে না। শীর্ষ আদালতের সেই পর্যবেক্ষণ মনে করিয়ে দিয়ে বিচারপতি কল বলেন, এ বিষয়ে আইন তৈরি আছে। একই ব্যাপারে বারবার আইন তৈরি প্রয়োজন নেই। রাস্তা আটকে রাখা যাবে না। শীঘ্রই এর সমাধান বের করতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ ডিসেম্বর।

