আমাদের ভারত, ২৯ ডিসেম্বর: প্রথম থেকেই রাজ্যের সব পুরসভায় একসাথে ভোট করার দাবি করেছিল পদ্ম শিবির। এখন করোনার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ফলে এই পরিস্থিতিতে আদৌ ভোট হওয়া উচিত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বাড়তে শুরু করেছে। তাই এই অবস্থায় ভোট করা কতটা যুক্তিযুক্ত সে বিষয়ে রাজ্যের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন বালুরঘাটের সাংসদ। ২২জানুয়ারি রাজ্যের বেশকটি পুরসভার ভোট ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই ভোটের দিন নিয়েই আপত্তি জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তার কথায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উচিত বিশেষজ্ঞদের ডেকে পরামর্শ নেওয়া। নির্বাচন কমিশন বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে করে সিদ্ধান্ত নিক ভোট হবে কিনা।”
সুকান্ত মজুমদার বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী নিজে যখন করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এতটা উদ্বিগ্ন। তখন ভোট নিয়ে কেন এত তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে?”
তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভোট নিয়ে কেউ তাড়াহুড়ো করছে না। হাইকোর্টের নির্দেশেই ভোটের দিন ঘোষিত হয়েছে। কমিশন যদি ভোটের দিন পিছিয়ে দেয় তাতে কোনো আপত্তি নেই।
অন্যদিকে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন,”ওমিক্রন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। উদ্বেগের পরিস্থিতি যে একটা রয়েছে সেটা আমরাও বুঝতে পারছি।” কিন্তু তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “ভোট হোক বা না হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন লোকজন নিয়ে গঙ্গাসাগরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? কেন মাঝেমধ্যে অনেক লোক নিয়ে অনুষ্ঠান করছেন?” তার অভিযোগ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের কথাতেই চলছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মঙ্গলবার কলকাতা পৌরনিগমের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বেশ কয়েকজনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
বুধবার গঙ্গাসাগরে প্রশাসনিক বৈঠকে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পরিস্থিতির উপর নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আধিকারিকদের। কলকাতায় কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির বিষয়ে নজর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

