অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ১৫ নভেম্বর: দলীয় কর্মসূচিতে এসে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মায়ের সাথে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। খেলেন দিলীপ ঘোষের মায়ের হাতের বানানো গুড়ের পিঠা।
মঙ্গলবার বিরসা মুন্ডার ১৪৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে ঝাড়গ্ৰাম জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে গোপীবল্লভপুরের চোরমুন্ডী বিরসা ডেরাতে বিরসা মুন্ডার জন্মদিন পালনের সভা করতে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের দলীয় কর্মসূচিতে এসে সভাস্থলের দু কিলোমিটারের মধ্যে থাকা দিলীপ ঘোষের পৈত্রিক বাড়িতে দিলীপ বাবুর মায়ের সাথে দেখা করতে যান সুকান্ত মজুমদার। দিলীপ ঘোষের বৃদ্ধ মায়ের সাথে দেখা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তুলে দেন মিষ্টি এবং ফল। সঙ্গে দিলীপ বাবুর মায়ের হাতের বানানো গুড়ের তৈরি পিঠা খান।

এরপর সভাস্থলে এসে রাজ্যে সরকারকে একের পর এক আক্রমণ করেন “কেন্দ্র আদিবাসীদের জন্য সজাগ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, চৌকিদারের মতো দাঁড়িয়ে আছে, আদিবাসীদের এই যে সম্মান, অলচিকি ভাষা থেকে শুরু করে তার যে মন্ত্রী এবং ডিপার্টমেন্ট সবই কেন্দ্র আমাদের অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেননি, রাজীব গান্ধী করেননি।” দলের উদ্যোগে বিরসা মুন্ডার জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানে গোপীবল্লভপুরে এসে এভাবেই আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্রের সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোট এবং রাজ্যর কারা মন্ত্রী অখিল গিরির রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কু-মন্তব্যের পর জেলায় আদিবাসীদের মন পেতে একই দিনে জেলার দুটি জায়গায় সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলের রাজ্য সভাপতি। এদিন গোপীবল্লভপুরের সভার শেষে সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তীব্র ভাষায় মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন। মুখ্যমন্ত্রীকে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে মনোবিদের পরামর্শ নেওয়ার উপদেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের বকেয়া সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী কথার প্রতিক্রিয়া দিতে বলেন সবটাই যদি কেন্দ্র দেবে তাহলে রাজ্য সরকারটি রেখে লাভ কী?

