আমাদের ভারত, ২৭ জুলাই:রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমছে কিন্তু পুরোপুরি চলে যায়নি। তার সাথে রয়েছে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা। তাই এখন থেকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু করোনা বিধিকে একরকম বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অনেকেই তা মানছেন না। বিধি নিষেধ না মেনেই চলছে হৈ-হুল্লোড়। ফলে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় আগেভাগে কড়া নাইট কারফিউ জারির নির্দেশ দিল নবান্ন।
কয়েকদিন আগে রাজ্যের তরফের কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়, নাইট কারফিউ লাগু করা হয়। তাতে রাত ন’টা থেকে সকাল পাঁচটা পর্যন্ত কড়া বিধি মানা নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো পুলিশের নাকা চেকিং চালানোর কথা বলা হয় কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষ করোনা বিধি কে উপেক্ষা করেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে করোনা বিধিকে অমান্য করছেন বিভিন্ন হোটেল রেঁস্তোরাও। গভীর রাত পর্যন্ত সেগুলি খোলা থাকছে বলে অভিযোগ। আর সেই কারণেই মানুষও সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন। আর তার থেকে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এবার সেই আশঙ্কার কারণেই এই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে আরও করা হওয়ার নির্দেশ দিল নবান্ন।
মঙ্গলবার মুখ্যসচিব এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানেই সমস্ত পুলিশ কমিশনার জেলা পুলিশ সুপারদের আরও কড়া হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা বিধি ভাঙলে কড়া শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। কলকাতার মতো জেলাগুলোতেও একই অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা নবান্নের।
করণা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে ঘোরাঘুরি চলছে মানুষের। রাত ন’টার পরেও সমস্ত কিছু স্বাভাবিক ভাবেই চলছে। সেদিকে তাকিয়েই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
এই নির্দেশিকায় পুলিশকে অত্যন্ত কড়া হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাত ন’টা থেকে পুলিশকে আরো বেশি কড়া হতে বলা হয়েছে। বাড়াতে বলা হয়েছে নজরদারি। কলকাতা শহর ও জেলায় নাকা চেকিংয়ের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরাতে হঠাৎ করেই হানা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের ও তল্লাশি চালানোর নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে শুক্রবার, শনিবার ও রবিবার শহরের বিভিন্ন রাস্তার নাকা চেকিং শুরু করেছে পুলিশ। গত তিন দিনে বিধি ভাঙার কারণে ১০০টিরও বেশি মামলা দায়ের হয়েছে।

