অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ৬ জুন: গতকাল রেফ-এর প্রয়োগের ওপর একপ্রস্থ আলোকপাত করেছি। আজ আর এক প্রস্থ। গোখলে মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রাক্তন শিক্ষক সুদেষ্ণা মৈত্র সহজ পড়া-১, সহজ পড়া-২, বানান টানান, সহজ বাংলা ব্যাকারণ, রবীন্দ্রনাথ-নদী পথ পাখি প্রভৃতি বইয়ের লেখিকা।
‘বঙ্গদর্শন’-এ তিনি জানিয়েছেন (৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭), ‘রেফ’ যে কার মাথার উপর কখন বসবে, সেটাও ছোটদের কাছে বেশ মুশকিলের বিষয়! দুর্গা , দূর্বা লিখতে গেলে রেফ দিতে হয়। রেফ কি, কেন, এত সব জটিলতায় না গিয়ে ছোটদের বলা যেতে পারে দুর্গা উচ্চারণে যেখানে ‘র’ এর উচ্চারণ হয় ঠিক তার পরের বর্ণের উপর ‘রেফ’ বসবে। যেমন বর্ণ উচ্চারণ করছে ‘ব’এর পর ‘র’ উচ্চারণ হচ্ছে তাই ‘ণ’ এর উপর রেফ হবে। আশীর্বাদ- এই শব্দটি উচ্চারণে ‘আশী’-র পর ‘র’ শোনা যাচ্ছে তখন ’র’টি ‘রেফ’ হয়ে ‘ব’ এর মাথায় বসবে। দুর্গতি/দুর্বার/দুর্বল উচ্চারণে দুর্ যেই উচ্চারণ হল তখনই তারপরের বর্ণে মাথায় রেফ বসবে।

এত কিছু করেও ছোটরা দুভির্ক্ষ লিখবে। বারবার অনুশীলন করালে মনের মধ্যে শব্দেরা ছবি এঁকে চলে ফিরে বেড়াবে, ফলে লেখার সময় বানান ভুল থেকে রেহাই পাওয়া সহজ হয়।
***

