আমাদের ভারত, ৫ অক্টোবর: ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙ্গেনি। তিনি মিথ্যে কথা বলে সহানুভূতি আদায় করে ভোটে ফায়দা তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কয়েকদিন আগে এমনটাই দাবি করেছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই ঘটনার তদন্ত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সেই বিষয় নিয়ে পাল্টা সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে আবার সেই ভাঙ্গা পা ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
সাংবাদিক বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতাকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “ঘাঁটাঘাঁটি কম করুন, আরো যদি বলেন, যদি এক্সরে প্লেট, এমআরআই রিপোর্ট যদি দেখাতে শুরু করি বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না।”
কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে পাঁচ বছর আগের বেশ কিছু মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ করেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই উঠেছে আইনের প্রশ্ন। এভাবে কি বিনা অনুমতিতে কারোর রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যায়? তা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ এস এস কে এম এ’র ডিরেক্টর, সুপার ও বিভাগীয় প্রধানকে আইনি চিঠি ধরান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী অর্ক নাগ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কোন নিয়মের ভিত্তিতে এমনটা করা হলো?
এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তর হয়ে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে বলব ওনার আইনজীবির চিঠি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে হয় জানেন না উনি কেস করেছিলেন, কেসটা সিআইডি নিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে এস এস কে এমের কোনো নথি পাওয়ার কথা নয়। বিজেপির নামে এফআইআর হয়েছিল। সি আই ডি তদন্ত হয়। বিজেপি নেতা- কর্মীদের নামে সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এফ আই আর করেছিলেন। সেই কথা মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এরপর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রয়োজন হলে কোথা থেকে কাগজটা পেয়েছি আমি বলে দেব। কাগজটা পিজিতে ছিল না। পিজিতে থাকার কথা নয়। উনি ভেবেছিলেন চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসবেন। উনি অনেক কাগজ ড্রয়ারে রেখে দিয়ে গিয়েছিলেন। অনেক কাগজ বার করে নিয়ে যেতে পারেননি। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ্যে ফিরে আসতে পারবেন না।

