Rashmi Group, Sabang, সবংয়ে বন্যা প্লাবিত এলাকায় রশ্মি গ্রুপের অনুদান

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৯ আগস্ট: অতিবৃষ্টিতে জলমগ্ন পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের বিভিন্ন বন্যা প্লাবিত এলাকার দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াল রশ্মি গ্রুপ। সবং থানার লোকপীঠ, বিষ্ণুপুর, মাশুমপুর, নারায়ণবাঢ় এই অঞ্চলগুলিতে দুর্গতদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন রশ্মি গ্রুপ কর্তৃপক্ষ। বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জরুরি প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে রশ্মি গ্রুপের পক্ষ থেকে অনুদান ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়। ৩০০ পরিবারের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় রেশন সামগ্রী (চাল, ডাল, সর্ষের তেল, নুন, সোয়াবিন, মুড়ি, গুড়, আলু, চানাচুর, বিস্কুট) নিয়ে সাহায্যের ডালি পৌঁছে দেয় রশ্মি গ্রুপ কর্তৃপক্ষ।

এই মানবিক উদ্যোগে দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। জলবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করতেই এই উদ্যোগ বলে রশ্মি গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। রশ্মি গ্রুপের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডিজিএম সিএসআর নটবর বিশোয়াল, এজিএম সঞ্জয় ওঝা সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মিস্টার ভাস্কর চৌধুরীর উদ্যোগে এই ত্রাণযাত্রা সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে।

কর্মসূচিতে নটবর বিশওয়াল বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো রশ্মি গ্রুপের সামাজিক দায়বদ্ধতার অন্যতম অঙ্গ। বন্যার মতো কঠিন পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষের পাশে থেকে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সবং- এর বিধায়ক অমল কুমার পন্ডা রশ্মি গ্রুপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁর মতে, প্রশাসনের পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলি এগিয়ে এলে দুর্যোগ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, বন্যার কঠিন পরিস্থিতিতে রশ্মি গ্রুপের এই সহায়তা দুর্গত পরিবারগুলিকে সাময়িকভাবে হলেও স্বস্তি দেবে।

রশ্মি গ্রুপের এই উদ্যোগ ফের একবার তাদের Corporate Social Responsibility (CSR)- এর মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারকে তুলে ধরল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *