আমাদের ভারত, ২২ অক্টোবর: লতা মঙ্গেশকর, সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা টানলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী৷ শুক্রবার উত্তর চব্বিশ পরগণার বনগাঁয় একটি কালী পুজোর উদ্বোধনে যান রাজ৷ সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করতে গিয়ে সঙ্গীত এবং ক্রিকেট জগতের দুই কিংবদন্তির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর তুলনা টানেন তৃণমূল বিধায়ক৷ আর এ নিয়ে শনিবার সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন খবরে তোপ দেগেছেন অজস্র নেটনাগরিক।
সুমনা ভট্টাচার্য লিখেছেন, “সত্যি এরা পারে বটে, কোনো অহংকার নেই, এতো সুন্দর চাটুকারিতার জন্য।” শিবু বনিক লিখেছেন, “বিশেষ করে বাংলা মিডিয়ার শেখা উচিত কি ভাবে চটি চাঁটতে হয়! বিপ্লব পাল লিখেছেন, “চটি চাটতে চাটতে এমন অবস্থা যে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। চটি চাটার একটা সীমা থাকা উচিত!“ শিবশঙ্কর ঘোষ লিখেছেন, “বাপরে বাপ! এ তো সেরার সেরা!”
সৌমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, “ওর জীবনের অভজ্ঞতা থেকে ঠিক – উনি না থাকলে একে পোর্টের জমি বেদখলের জন্য জেল খাটতে হতো।“ সোমনাথ চ্যাটার্জি লিখেছেন, “কোনো ব্যক্তির সাথে কোনো ব্যক্তির তুলনা করাটা ভুল, সেই জন্য কারোর সাথে কারোর তুলনা করার দরকার নেই। শিক্ষা, কর্মদক্ষতা, সংস্কার বোধ এবং পেশাগত জায়গায় যার যেমন ব্যক্তিত্বের প্রকাশ পায়।”
ইপ্সিতা মুখার্জি লিখেছেন, “যাক তবু ভালো। অল্পের ওপর দিয়ে গেছে। ভগবান ই নেমে এসেছেন স্বয়ং এ যে বলে বসেনি এই ঢের।” জয়ন্ত সানা লিখেছেন, “মনে হচ্ছে চোলাই খেয়ে আবল তাবল বকছে।
চিকিৎসা দরকার।” অনুপম নাথ লিখেছেন, “দিদির মানুষের জন্য কাজের উদাহরণ তো করুণাময়ী রোডে দিদির পুলিশের দ্বারা আন্দোলনকারীদের উপর করুণাময়ী পদক্ষেপ, মানে লাঠি।”
প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতটা জনদরদী, তা বোঝাতে গিয়ে রাজ বলেন, ‘মানুষ জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতবর্ষের মধ্যে একমাত্র নেত্রী যিনি মানুষের কথা ভাবেন৷ যখন কাজ করেন তখন এটা ভাবেন না যে সামনের মানুষটা কোন দল করে৷ উনি শুধু জানেন মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, আমি মানুষের জন্য জন্মেছি৷”

