সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৯ ডিসেম্বর: ইংরেজি নতুন বছরে মিষ্টি প্রেমীদের জন্য খুশির কথা। মূলত তাঁদের কথা মাথায় রেখে এবং বাংলার ঐতিহ্যপূর্ণ রকমারি প্রসিদ্ধ মিষ্টি নিয়ে হাজির পুরুলিয়ার ‘মিষ্টি জঙ্গলমহল’। নতুন মিষ্টি ও নোনতার রকমারি আকর্ষণীয় সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মানভূম সমবায় দুগ্ধ উৎপাদক সঙ্ঘ লিমিটেডের এই মিষ্টি জঙ্গলমহল। এটা এখন পুরুলিয়া জেলায় পরিচিত মুখ। এফএসএসএআই অনুমোদিত প্রসিদ্ধ সুস্বাদু এই সরকারি সংস্থার নতুন বছরে চমক বর্ধমানের ঘিয়ের সীতাভোগ, মেদিনীপুরের মুগের জিলাপি, শক্তিগড়ের ঘিয়ে ভাজা ল্যাংচা, কৃষ্ণনগরের সরভাজা ছাড়াও লঙ্কার রসগোল্লা, সুস্বাদু আমন্ড গুঁড়ো দিয়ে দেবভোগ সন্দেশ, ক্ষীরের সিঙ্গাড়া, হাতের তৈরি চকোলেট, নারকেল কুকিজ এবং উৎকৃষ্ট মানের অন্যান্য মিষ্টি নোনতা তো ৫০ রকমের রয়েছে।

প্রথম দিকে রাজ ঘরানার কস্তা মিঠাই সরকারী মোড়কে এনেছিল এরা। উৎকৃষ্ট মানের ওই কসতা একই স্বাদের তৈরি করে প্রসিদ্ধ বাড়িয়ে তুলেছে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মানভূম সমবায় দুগ্ধ উৎপাদক সঙ্ঘ লিমিটেডের মিষ্টি জঙ্গলমহল। এখন এদের তৈরি ঘি যশ ছড়িয়েছে নেট দুনিয়ার বাজারেও। ওই সংস্থার পরিচালন অধিকর্তা শুভাগত দে জানান, “নিজস্ব স্টল পুরুলিয়া শহরে চারটি থাকলেও বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাড়ির দরজায় গিয়ে পৌঁছে যাবে মিষ্টি ও নোনতার সম্ভার।”

পুরুলিয়া শহরে অবস্থিত গ্রামোন্নয়ন সংস্থার ভবনে মানভূম সমবায় দুগ্ধ উৎপাদক সঙ্ঘ লিমিটেডের বেনস মিষ্টি জঙ্গলমহল কাউন্টারে অন্যান্য মিষ্টির সঙ্গে এই বিশেষ মিষ্টি নোনতা বিক্রি হচ্ছে। দাম পুরুলিয়াবাসীর কাছে একটু বেশি মনে হলেও উৎপাদন খরচের চেয়ে নাম মাত্র লাভ রেখে এর মূল্য রাখা হয়েছে। জেলায় ২০ টি সোসাইটি যেগুলো মূলত মহিলা দ্বারা পরিচালিত সেখান থেকেই দুধ সংগ্রহ করে। প্রশিক্ষণ দিয়ে গবাদি পশুর প্রতিপালন, বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে দুধ দুইয়ে সংরক্ষণ প্রভৃতি কাজ উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পের হাত ধরে নারীদের ক্ষমতায়ন বাড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বলে জানান শুভাগত দে। খুব শীঘ্রই মিনি ডেয়ারি দুধের প্যাকেট বাজারজাত করা হবে।


