আমাদের ভারত, ১৯ জুন:করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ রয়েছে। ক্লাস চলছে অনলাইনে। এই সময় কোন ছাত্র যদি স্কুলের বেতন দিতে না পারে কিংবা বেতন বকেয়া থাকে তাহলে তার নাম স্কুল কেটে বাদ দিতে পারবে না বলে জানালেও কলকাতা হাইকোর্ট।
শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে স্কুলের বেতন বকেয়া থাকলে বা কোনো অভিভাবক সেটা না দিতে পারলেও কোনো ছাত্র-ছাত্রীর ক্লাস বাতিল বা স্কুল থেকে তার নাম কেটে দেওয়া যাবে না।
করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া কিছু করতে পারবে না স্কুলগুলি। আগামী ৩ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি। ততদিন পর্যন্ত এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে। গত বছর মার্চ মাস থেকেই রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। করোনার প্রথম ঢেউয়ের পর সংক্রমণ কিছুটা কমে তখন নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ক্লাস শুরু হয়। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউ আসতেই সেটাও কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ করে দিতে হয়। কিন্তু এর মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলগুলির বিরুদ্ধে বেতন বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। বেশকিছু স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। অভিভাবকদের দাবি করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। তাই এই পরিস্থিতিতে স্কুলগুলোর উচিত একটু মানবিক হওয়া। সেই সব বিষয় নিয়েই একটি মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা নির্দেশ দিয়েছেন বেতন বকেয়া থাকলে নাম কাটা যাবে না।

