স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ৬ মে: কল্যাণী এইমসে শুক্রবার থেকে চালু হলো মরণোত্তর দেহদান। এইমস কর্তৃপক্ষের দাবি, মরণোত্তর দেহদানে খুব ভালো আমরা সাড়া পেয়েছি। অনেক মানুষ এখানে এসেছেন। সন্ন্যাসী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক অনেকেই অঙ্গীকারবদ্ধ হবেন বলে ফর্ম ফিলাপ করছেন। অনুষ্ঠান শুরু হবার আগেই ১৫ জন মরণোত্তর দেহদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন।

এইমসে এক প্রেস কনফারেন্সে এ্যানাটমি বিভাগের প্রধান ডাক্তার বিশ্ববীণা রায় জানান, এই মরণোত্তর দেহদান এক মহান কার্য। কারণ এই প্রদত্ত দেহ আমরা শব ব্যবচ্ছেদের জন্য ব্যবহার করে থাকি। যে চিকিৎসক আজ চিকিৎসা করছেন, যে শল্যচিকিৎসক একটা সার্জারি করছে, বা একজন গবেষক যখন গবেষণা করছেন তখন তাদের মননে, চিন্তনে, কর্মদক্ষতায় আপনাদের উৎসর্গীকৃত দেহ তাদের শিক্ষার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রত্যেকটি মেডিকেল স্টুডেন্টদের পড়াশোনা শুরু করবার আগে একটা অঙ্গীকার করেন তাকে বলা হয় “ক্যাডাভেরিক ওথ”। ক্যাডাভেরিক ওথ কথার অর্থ হল সেই সব দেহ যারা ব্যবচ্ছেদ করতে চলেছেন সেই সব দেহকে প্রকৃত সম্মানের সঙ্গে যেন তারা ব্যবচ্ছেদ করেন, এবং সেই সময় তারা যেন ওই শব দেহের প্রতি কোনোরকম অসম্মান না দেখান। যেন শব ব্যবচ্ছেদের সময় দেহটিকে ঠিকমতন ঢেকে রাখা হয়। প্রকৃত প্রক্রিয়ায় তাকে ঠিক মতন সংরক্ষণ করা হয়, কোনোভাবেই সেটাকে খারাপ না হতে দেওয়ার প্রতি নজর দেওয়া হয়।

