আমাদের ভারতের, ব্যারাকপুর, ২১ ডিসেম্বর: গারুলিয়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডে অন্তর্গত পৌষ কালী পুজোর ব্যানার ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ছড়ালো শ্যামনগর ফিডার রোড এলাকায়। পৌষ কালী পুজোর ব্যানারে গারুলিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর তথা পৌর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য তৃণমূলের অনন্যা সাহা নামের পাশে পৌর প্রশাসক লেখায় ফের একবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসে গেলো। আর এই ব্যানারকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে গারুলিয়া পৌর এলাকায়।
নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক তথা গারুলিয়া পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান তথা বিজেপি নেতা সুনীল সিং অভিযোগ করেন, একটা পৌরসভায় একের অধিক পৌর প্রশাসক রয়েছে গারুলিয়া পৌরসভাতে। তিনি আরও বলেন, “পৌর সভাতে কটা প্রশাসক থাকে। ব্যানারটা দেখে মনে হচ্ছে যেন বর্তমান পৌর প্রশাসক রমেন দাসকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বা হঠাৎই হয়তো গারুলিয়া পৌরসভার বর্তমান পৌর প্রশাসক রমেন
দাসকে পরিবর্তন করে তার জায়গায় হয়তো এক নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী পৌর মাতা তথা বর্তমান গারুলিয়া পৌরসভার পৌর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য অনন্যা সাহাকে তার জায়গায় বসানো হয়েছে। সেই কারণেই পৌষ কালী পুজোর ব্যানারে অনন্যা সাহা নামের পাশে পৌর প্রশাসক পদাধিকার বসানো হয়েছে।”

এই বিষয় নিয়ে বলতে গিয়ে গারুলিয়া পৌরসভার পৌর প্রশাসক রমেন দাস গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “দল আমাকে নির্বাচিত করেছে। আমিই এখনো প্রশাসকের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমি কি করে জানবো অন্যান্য সাহাকে কে প্রশাসক করেছেন। হয়তো ইচ্ছাকৃত অথবা অনিচ্ছাকৃতভাবে এই ভুল করেছেন পৌর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য অনন্যা সাহা।” তিনি আরও জানান, এই সম্পূর্ণ ঘটনা দলের দমদম ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পার্থ ভৌমিকের কাছে জানানো হবে।
অপরদিকে গারুলিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গৌতম দত্ত জানান, এই ঘটনা সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে করা হয়েছে। পৌর প্রশাসক কোনও দিন ২ টো হয় না। এই ঘটনা আমরা উচ্চ নেতৃত্বকে জানাবো।
তবে এই সম্পর্কে পৌর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অন্যান্য সাহার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

