“রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটল”, অর্জুন সিং’য়ের তৃণমূলে ফেরা প্রসঙ্গে মন্তব্য বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’য়ের

জয় লাহা, দুর্গাপুর, ২২ মে: ২০০১ সাল থেকে কাউন্সিলর, বিধায়ক হয়েছেন। তবুও সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। গত ১৫ দিনে মোদীজির নেতৃত্বে পাটশিল্পের সমস্যার সমাধান হয়েছে। তারপরও তৃণমূলে যেতে হয়েছে অর্জুন সিংকে। কারণ তৃণমূল ঘিরে ধরো নীতিতে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে। তাঁর তৃণমূলে যোগদান রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটল।” রবিবার অর্জুন সিংয়ের তৃণমূলে ফেরা প্রসঙ্গে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির সংসাদ সৌমিত্র খাঁ।

প্রসঙ্গত, পাটশিল্পের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। এবং বঙ্গ বিজেপি ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। তারপর থেকে অর্জুন সিংয়ের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে জল্পনার সৃষ্টি হয়। রবিবার অবশেষ সেই জল্পনা বাস্তবায়িত হয়। তৃণমূলের যুবরাজ অভিষেক ব্যানার্জির হাত ধরে পুনরায় ঘরে ফেরেন অর্জুন সিং। তার এই তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর শোরগোল পড়েছে। রবিবার অর্জুন সিংয়ের তৃণমূলে ফেরা প্রসঙ্গে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সৌমিত্র খাঁ বলেন, “তৃণমূলের জামানায় ব্যবসা এবং রাজনীতি করতে হলে তৃণমূল করতেই হবে। তৃণমূল যেভাবে বিভিন্ন কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে, তাতে বলির খুঁটোতে মাথা রাখলেন অর্জুন সিং।”

তিনি আরও বলেন, “২০০১ সাল থেকে কাউন্সিলর, বিধায়ক হয়েছেন। তবুও সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। গত ১৫ দিনে মোদীজি ও অমিত শাহজির নেতৃত্বে পাটশিল্পের সমস্যার সমাধান হয়েছে। তারপরও তৃণমূলে যেতে হয়েছে অর্জুন সিংকে। কারণ তৃণমূল ঘিরে ধরো নীতিতে তাঁর ব্যাবসা বন্ধ করে দিয়েছে। তাঁর তৃণমূলে যোগদানে রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটল। অর্জুন সিং রাজনৈতিক মৃত্যু দিয়ে নিজের ভাইকে ব্যবসার জায়গা করে দিল।” তিনি আরও বলেন,” বিজেপির লড়াই জারি থাকবে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *