সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৯ মে: লকডাউন কার্যকর করতে অতি সক্রিয় হয়ে উঠল পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ। বিক্রির সময় পেরিয়ে গিয়েছে এই কারণ দেখিয়ে এক সংবাদপত্র বিক্রেতাকে লাঠি পেটা করার অভিযোগ উঠল পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া শহরের হাসপাতাল মোড় এলাকায়। আহত সংবাদপত্র বিক্রেতা হাতে গুরুতর চোট পেয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা বিধি মত আজ সকালে দশটার পর দোকান পাট বন্ধ রয়েছে কি না তা দেখতে পথে নামে পুরুলিয়া সদর থানার আইসি সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। সেই সময় শেখ জাবির নামে ওই সংবাদ পত্র বিক্রেতা পেপার বিক্রি করছিলেন পুরুলিয়া শহরের হাসপাতাল মোড়ে। এদিন তা দেখে
আইসি সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক গাড়ি থেকে নেমে ওই সংবাদ পত্র বিক্রেতাকে লাঠি পেটা করতে শুরু করেন। মারের চোট এতটাই ছিল যে পুলিশের সেই লাঠি ভেঙ্গে যায় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত ওই সংবাদপত্র বিক্রেতা পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের অতি সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

এই বিষয় সদর থানার অভিযুক্ত আইসি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ওই কাগজ বিক্রেতাকে সতর্ক করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ের পরও কাগজ বিক্রি করছিলেন তিনি। তাই, আইন মেনেই লাঠি দিয়ে সরাতে হয়েছে।”
এদিকে লাঠির আগাতে আহত ওই কাগজ বিক্রেতা বাড়িতে শুয়ে বলেন, “আমি আজ সোয়া দশটা নাগাদ কাগজ গুটিয়ে সাইকেলে বাঁধাবাধি করছিলাম। সেই সময় হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমে সদর থানার বড় বাবু কিছু না বলেই খুব জোরে আমাকে মারতে থাকেন। বেদম মারার পর আমি লুটিয়ে পড়ি। তার পর সেখান থেকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাই। চিকিৎসক জানান, রক্ত জমাট বেঁধেছে হাতে শরীরের কয়েক জায়গায়। সক্রমণও হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।”

