অমরজিৎ দে, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর: কয়েক দিনের অতিবৃষ্টির পর বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও নতুন করে ভোগান্তিতে গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার দিনভর বৃষ্টি এবং একপ্রকার হড়পা বানে প্লাবিত হয়ে পড়ে ব্লকের আলমপুর ৬ নম্বর এবং কেন্দুগাড়ি ৭ নম্বর অঞ্চলের বিস্তীর্ণ অংশ। কিন্তু বুধবার সকাল থেকে প্লাবনের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বন্যার জলে এলাকার একাধিক রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত জলের চাপে ছাতিনাশোল থেকে টোপগেড়িয়া যাওয়ার রাস্তার মাঝে পড়াশিয়া গ্রামের পাকা রাস্তার দীর্ঘ অংশ ভেঙ্গে বৃষ্টির জল বইছে রাস্তার উপর দিয়ে। পাশাপাশি আলমপুরের কাছে নির্মীয়মান রাস্তা ভেঙ্গে চৌচির হয়ে পড়েছে এদিনের জলে।

এলাকার পানীয় জল প্রকল্পের একাধিক পাইপলাইন উপড়ে গেছে এদিনের জলের তোড়ে। ফলে আলমপুর, পিড়াশিমূল, টোপগেড়িয়া, বাকড়া, তেঁতুলিয়া সহ বিস্তির্ণ এলাকার মানুষজন গোপীবল্লভপুর ছাতিনাশোলের সঙ্গে একপ্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে মানুষকে প্রায় সাত কিলোমিটার ঘুরপথে গোপীবল্লভপুরে পৌঁছাতে হচ্ছে। ৫০টিরও বেশি মাটির বাড়ি যেমন ভেঙ্গে পড়ছে তেমন একাধিক মাটির বাড়ি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ায় মানুষজন বাড়িছাড়া অবস্থায় অন্যত্র থাকছেন। এখনো জলের তলায় বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি। সাধারণ মানুষ এই অসহায় অবস্থায় এখন একমাত্র সরকারি পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন।
তবে গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও দেবজ্যোতি পাত্র জানান, যাদের মাটির বাড়ি ভেঙ্গেছে তাদের গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ত্রিপল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু যে সমস্ত রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে আবহাওয়ার একটু উন্নতি হলেই দ্রুত তা মেরামত করা হবে।

