আমাদের ভারত,৪ জানুয়ারি: টাটা মেডিকেল এন্ড ডায়াগনস্টিকের তৈরি ওমিসিওর কিটকে স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ। দেশীয় প্রযুক্তিতেই এবার করোনা আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের উপস্থিতি রয়েছে কি না তা চিহ্নিত করা যাবে।
সারা বিশ্বকে নতুন করে ভয় ধরিয়েছে করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রন। তীব্র গতিতে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। এই অবস্থায় করোনা ধরা পড়ার পর সেই ব্যক্তি ওমিক্রনে আক্রান্ত কি না তা জানতে করতে হচ্ছে জিনোম সিকোয়েন্স। যা চটজলদি সম্ভব হচ্ছে না। এবার সেই অসুবিধার একটা সুরাহা খুঁজে বের করল টাটা মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকের তৈরি ওমিসিওর।
খুব তাড়াতাড়ি এই কিট বাজারে আসতে চলেছে। এর ফলে দেশীয় প্রযুক্তিতে করোনা আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রনের উপস্থিতি নির্ণয় করা সম্ভব হবে। এতদিন ভারতে ওমিক্রন নির্ণয়ের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার হচ্ছিল তা আমেরিকার থার্মো ফিসার নামে এটি চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থার তৈরি করা। এবার থেকে ওমিসিওর ব্যবহৃত হবে।
জিনোম সিকুয়েন্সের পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। রাজ্যে কেউ ওমিক্রন আক্রান্ত কি না তা জানতে তার নমুনা কল্যাণীর পরীক্ষাগারে পাঠাতে হয়। ফলে বেশ কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু টাটার এই নতুন কিট আইসিএমআরের ছাড়পত্র পাওয়ার পর সেই সমস্যা বেশ কিছুটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে মনে পড়ছে বিশেষজ্ঞ মহলের একটি অংশ। জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের কাজেও এতে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন তারা।

