আমাদের ভারত, ১৮ জুলাই: শনিবার একাধিক বিষয় নিয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত জানালেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আমতলায় অভিষেক ব্যানার্জির পার্টি অফিস ভাঙ্গা সহ একাধিক বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে নিজের মতামত জানান সুকান্তবাবু।
তিনি বলেন, অভিষেক ব্যানার্জির আমতলার পার্টি অফিস বেআইনি বলে ভাঙ্গা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, বেআইনি নির্মাণ মাথা উঁচু করে থাকা উচিত না। মাথা নত করে থাকা উচিত। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল তারা মনে করত গোটা রাজ্যে তাদের জমিদারি চলবে। কোনো বৈধ প্ল্যান ছাড়া বিল্ডিং তৈরি করতে পারবে। যাকে ইচ্ছে গ্রেফতার করাতে পারবে, যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে, সেই জন্য রাজার মতো তারা সকলে থেকেছে। কিন্তু এখন বাংলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তখন শাসকের আইন চলত। আইনের শাসনের ক্ষেত্রে এটা চলতে পারে না। বেআইনি নির্মাণ ভাঙ্গা হয়েছে, সেটাই তো উচিত। আমতলা সহ ডায়মন্ড হারবারে জাহাঙ্গির থেকে শুরু করে সবার দৌড়াত্মে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল।
শনিবার লিপস এন্ড বাউন্স- এর সম্পত্তি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, লিপস এন্ড বাউন্স এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুটি প্রায় সমার্থক শব্দ। একসময় এই সংস্থার ডিরেক্টর পদে তো অভিষেক ব্যানার্জি ছিলেন, এই সংস্থার মাধ্যমে প্রচুর অনৈতিক কাজকর্ম চলেছে, কালো টাকাকে সাদা করা, জায়গা দখল করে পার্টি অফিস বানানো, বা অভিষেক ব্যানার্জির বানানো এই সমস্ত কিছুই হয়েছে। পাপের ঘরা পূর্ণ হলে সে পাপের হিসেব তো দিতেই হবে।
তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়েও এত টাকা কিভাবে এলো? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্ত মজুমদার বলেন, এ টাকা কোথায় গেল? কোন ব্যক্তিগত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ঢুকলো? তা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। ব্যক্তিগত কারো পকেটে ঢুকলে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা উচিত।
রাজারহাটের নারায়ণপুরে বিস্ফোরণ কান্ড নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, এখনো পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজন পড়লে এন আই এ তদন্ত হবে। তদন্ত করলে ঘটনার প্রকৃত কারণ বোঝা যাবে।

