আমাদের ভারত, ১৯ সেপ্টেম্বর:২০১৯-র মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটের পর সরকার গঠন নিয়ে মতানৈক্য তৈরি হয় বহুদিনের সঙ্গী শিবসেনা ও বিজেপির মধ্যে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে বিজেপির সঙ্গে ২৫ বছরের জোট ভেঙে দেয় শিবসেনা। ২০২৪ এ মহারাষ্ট্রে আবার বিধানসভা ভোট। তার বেশ কিছু আগে থেকেই শিবসেনা মুখপত্র সামনাতে নরেন্দ্র মোদীর ভূয়শী প্রশংসায় খবর প্রকাশিত। আর তাতেই জল্পনা তুঙ্গে। তাহলে কি আবার বিজেপি শিবসেনা কাছাকাছি আসছে?
“সামনা”তে প্রধানমন্ত্রীকেই বিজেপির প্রকৃত মুখ বলে দাবি করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তীব্র কটাক্ষ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। শিবসেনা মুখপত্রে লেখা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হলেন বিজেপির প্রকৃত মুখ। বাকিরা মুখোশ পরে রয়েছেন। মোদীকে ছাড়া ওই মুখোশ পরা ব্যক্তিরা পৌরসভা ভোটেও জিততে পারবে না। মোদী ২০২৪ এর ভোটের আগে একাধিক সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে শুরু করেছেন বলেও প্রশংসা করা হয়েছে।
শিবসেনার মুখপত্রে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও সুখ্যাতি করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, নাড্ডা আসার পর থেকেই বিজেপিতে পরিবর্তন এসেছে। মোদী এবং নাড্ডা ৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বদল করেছেন। গুজরাটের শিকড় গজিয়েছে যাওয়া গাছকে উপড়ে ফেলেছেন তাঁরা। নতুন চারা পুঁতেছেন। মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের নজরে রয়েছে।
এরপর পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং মহারাষ্ট্রে বিজেপির পরাজয় প্রসঙ্গ টেনে সামনাতে অমিত শাহের সমালোচনা করা হয়। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত দাবি করেছেন,”একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল যে অমিত শাহ যেকোনো ভোটে দলকে জেতাতে পারেন। কিন্তু তা সঠিক নয়। তার সময়ই বিজেপি–শিবসেনার ২৫ বছরের সম্পর্ক ভেঙেছে। ওনার জন্যই মোদী এবং নাড্ডাকে খেসারত দিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

