আমাদের ভারত, ৭ জুলাই: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত ভোট। আর এই ভোটের আগের দিনেও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বোমা উদ্ধার হয়েছে। বোমা বিস্ফোরণে একজন শিশু জখম হয়েছে। এই ঘটনায় মু্খ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, পুলিশের উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণ সম্ভবত নেই। তাঁর মতে হয়তো ভাইপোর নির্দেশে সবটা চলছে। ফলে এহেন পরিস্থিতিতে যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারিরীক অবস্থা এখন ভালো নয়, সেটাকেই অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে মু্খ্যমন্ত্রী পদ থেকে তার ইস্তফা দেওয়া উচিত।
আজ সল্টলেকের দলীয় অফিসে সাংবাদিক বৈঠকে মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বলে কিছু নেই। তবে ভোট এলেই একটা শিল্প খুব বড় ভাবে ফুলে ফেঁপে উঠে আসে। তার কথায় যদি শেয়ার মার্কেটে এদের শেয়ার থাকতো তাহলে দেখতেন পশ্চিমবঙ্গে ভোট এলেই ভারতবর্ষের নিফটি একদম কয়েক হাজার ওপরে উঠে যেত। এত শেয়ার বিক্রি হত বোমা কোম্পানির। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, এটাই শিল্প পশ্চিমবঙ্গের, কুটির শিল্প। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে মেদনীপুর এখানে গ্রামে গ্রামে রয়েছে পরমাণু বিজ্ঞানীরা। যারা বোমা তৈরি করছেন। মাঝে মাঝে দু’ চারজন বিজ্ঞানী উড়েও যাচ্ছেন।
অনুব্রত মণ্ডলকে টেনে এনে সুকান্ত বলেন, বোমা তৈরির সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানী এখন তিহার জেলে বসে আছে। তিনি থাকলে আরো ভালো বোমা সাপ্লাই হতো পশ্চিমবঙ্গে।
এরপরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে বলেছিলেন, সমস্ত রকম বোমা এবং বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার করুন। কিন্তু ছয় মাস থেকে এক বছর হতে চলল আমরা বুঝতে পারছি না মুখ্যমন্ত্রী কি মিথ্যে বলছেন? নাকি পুলিশের উপর মুখ্যমন্ত্রীর কন্ট্রোল নেই?” তিনি দাবি করেন, “এক্ষেত্রে যদি দ্বিতীয়টা সত্য হয়, মুখ্যমন্ত্রীর যদি পুলিশের উপর থেকে কন্ট্রোল চলে যায়, ভাইপো বললে যদি পুলিশ কাজ করে, নচেৎ কাজ করবে না তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত ওনার শারীরিক পরিস্থিতি ভালো নয়, সেটাকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়েই মুখ্যমন্ত্রী পদটা ছেড়ে দেওয়া। “

