সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৫ আগস্ট: পুরুলিয়া পুরসভার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি জনমানসে নেই। কোনও কালেই তা ছিল না। এই অবস্থায় এক বছরে তৃতীয় প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন পুরুলিয়া শহরের পরিচিত মুখ নবেন্দু মাহালি। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন বিদায়ী চেয়ারম্যান মৃগাঙ্ক মাহাতো।
পুর এলাকায় আবর্জনা ও জঞ্জাল নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে বাসিন্দাদের। এছাড়া নিকাশি ব্যবস্থার দাবি রয়েছে বেশ কিছু এলাকায়। পানীয় জল সরবরাহ নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। পরিষেবা ছাড়া দফতরীয় কাজে নানা ভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে পুরবাসীর। এই অবস্থার মধ্যেই দায়িত্ব নেওয়া খানিকটা চাপও বটে বলে ঘনিষ্ট মহলে স্বীকার করেন নবেন্দু। প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি যত দ্রুত সম্ভব জঞ্জাল মুক্ত শহর করতে উদ্যোগী হবেন বলে জানান। পানীয় জলের সমস্যা দূর করতে যা করার তা করে পুরবাসীর প্রাথমিক সমস্যা দূর করার আশ্বাস দিলেন পোড় খাওয়া এই রাজনীতিক। তিনি জানান, নাগরিক পরিষেবায় খামতি রাখতে চান না। ই-গভর্নমেন্টের মাধ্যমে মানুষকে পরিষেবা দিতে বেশি করে উদ্যোগী হবে পুরুলিয়া পুরসভা। কর প্রদানে, মিউটেশনের ক্ষেত্রেও সরলিকরণ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। শতবর্ষ প্রাচীন এই পুরসভার ২৩ টি ওয়ার্ডে পুর পরিষেবা পৌঁছে দিতে কতটা সফল তা সময় বলবে। দক্ষ সংগঠক হিসেবে জেলা তৃণমূলে পরিচয় থাকলেও সফল পুর প্রশাসক হিসেবে প্রমাণ করতে তাঁকে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে বলে মনে করেছেন পুরুলিয়া পুরবাসী।
শামিম দাদ খান, ডা: মৃগাঙ্ক মাহাতোর পর তিনি তৃতীয় ব্যক্তি যিনি বছর ঘোরার আগেই পরিচালকের আসনে বসছেন। যদিও সাত দিন আগেই তাঁর নাম ঘোষণা করা হয় রাজ্য সরকারের নগরান্নয়ন দফতরের পক্ষ থেকে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনিক বোর্ডের চেয়ারম্যান নবেন্দু ছাড়াও সহকারি হিসেবে রেবতি রমন টুডু এবং দুই সদস্য মৌসুমী ঘোষ ও রবি শংকর দাসের নাম ঘোষণা করা হয়।

