আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ২০ এপ্রিল: মহানন্দা ছাড়াও শিলিগুড়িতে ফুলেশ্বরী ও জোড়াপানি নদী রয়েছে। বসতির মধ্যে দিয়ে এই নদী গুলো বয়ে চলেছে। কিন্তু প্রতিদিন জঞ্জাল ফেলতে থাকায় নদীগুলো ক্রমশ নালায় পরিণত হয়েছে। তাই এদিন পুরনিগমের পক্ষ থেকে জোড়াপানি নদীতে থাকা থার্মোকল সহ অন্যান্য জঞ্জাল পরিষ্কার করা হয়।
এবিষয়ে মেয়র পারিষদ মানিক দে বলেন, “বর্ষার সময় এই নদী গুলোতে জল বাড়ে। সেগুলো উপচে বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশ করে তাই পরিষ্কার করা হলো। পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি নদীকে দূষণমুক্ত করা। এর জন্য বাড়তি কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। আমরা প্রতিটি নদী পরিষ্কার করবো ধীরে ধীরে।”
অন্যদিকে শহরে বায়ু দূষণ থেকে শুরু করে নদী দূষণ, শব্দ দূষণ ক্রমশ বাড়তে থাকায় সরব হয়েছে প্রকৃতিপ্রেমী সংগঠনরা। উত্তরবঙ্গের ৬৪টি সংগঠনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে।
এদিন ন্যাফের দফতরে সবুজ মঞ্চের সম্পাদক নব দত্ত বলেন, “শিলিগুড়িতে এখনও ১৫ বছর পার করে যাওয়া গাড়ি চলছে। এখানে এখনও গ্যাস চালিত গাড়ি চলাচল শুরু করেনি। টোটো চালু হলেও তার জন্য যে যানজট হচ্ছে তাতেও দূষণ বাড়ছে। তাই এই দূষণের বিরুদ্ধেই ৩ জুন অবস্থান বিক্ষোভে বসব আমরা। কলকাতা ছাড়া মুশির্বাদাদ ও শিলিগুড়িতেও এই বিক্ষোভ হবে। এই শহরে যে বিক্ষোভ হবে তাতে গোটা উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।”

