পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ জুন: রাজ্য সরকারের নির্দেশে আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন ব্লক ও পৌরসভা এলাকায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘জন কল্যাণ শিবির’। এই উপলক্ষে শনিবার খড়্গপুরের কৌশল্যা এলাকায় জেলা কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি সুমিত মণ্ডল এবং নারায়ণগড়ের বিধায়ক রামপ্রসাদ গিরি।
সাংবাদিক বৈঠকে বিধায়ক রামপ্রসাদ গিরি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’-এর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সারা রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন ব্লক ও পৌরসভা এলাকায় এই জন কল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, শিবিরগুলির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবা সম্পর্কে তথ্য প্রদান, নাম নথিভুক্তকরণ, আবেদন সংক্রান্ত সহযোগিতা এবং নানা প্রশাসনিক সুবিধা এই শিবিরের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। প্রতিটি ব্লকে দু’টি থেকে তিনটি করে শিবির অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।
বিধায়ক রামপ্রসাদ গিরি বলেন, “সাধারণ মানুষের যাতে সরকারি পরিষেবা পেতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিবিরে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থেকে সরাসরি মানুষের সমস্যার কথা শুনবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।”
অন্যদিকে, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকেও এদিন একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি তন্ময় দাস, এগরার বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী এবং সবংয়ের বিধায়ক অমল পণ্ডা।
সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, পরিকাঠামো গঠন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবার সুবিধা পৌঁছে দিতে এই ধরনের জনমুখী কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
জেলা নেতৃত্বের দাবি, আগামী তিন দিনের এই জন কল্যাণ শিবিরের মাধ্যমে বহু মানুষ সরাসরি সরকারি পরিষেবার সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সংযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।

