আমাদের ভারত, বীরভূম, ১৭ জুন: ‘এখনও কি মাথার মধ্যে তৃণমূল ঘুরছে নাকি’? জনকল্যাণ শিবিরের পরিকাঠামোর অব্যবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ ফিন্যান্স অফিসারকে ডেকে রীতিমতো ধমকও দেন মন্ত্রী। এমনকি, যারা এই সরকারি ব্যানার লাগানোর দায়িত্বে ছিলেন তাদের ‘শো-কজ’ করার নির্দেশ দেন সিউড়ির বিজেপি বিধায়ক। ৩ দিন ধরে বীরভূমের একাধিক জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী।
১৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে বিগত তৃণমূল সরকারের প্রকল্প ‘দুয়ারে সরকার’ -এর আদলে ডবল ইঞ্জিন সরকারের ‘জনকল্যাণ শিবির’। ৩ দিন ধরে এই শিবির থেকে ৫৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে৷ যদিও, সবচেয়ে বেশি লাইন আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও বার্ধক্য ভাতার প্রকল্পে৷
প্রথম দিন থেকেই জেলাজুড়ে এই শিবির পরিদর্শন করছেন সিউড়ির বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
সেই মত এদিন সিউড়িতে সিধু-কানু মঞ্চে জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। সেখানে দেখা যায় শিবিরের জন্য যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ব্যানার গুলি সঠিকভাবে লাগানো হয়নি৷
আর এতে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। ফিন্যান্স অফিসারকে বাইরে ডেকে সবার সামনে ধমক দেন তিনি৷ ‘এখনও কি মাথার মধ্যে তৃণমূল ঘুরছে? এটা ব্যানার লাগানো হয়েছে? মুখ্যমন্ত্রীর ছবি এভাবে লাগায়? যত শিবির ঘুরলাম এখানে সবচেয়ে খারাপ প্রচার’। এভাবেই বাক্যবাণ অফিসারের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দেন মন্ত্রী৷ এমনকি, যারা এই ব্যানার লাগানোর দায়িত্বে ছিলেন তাদের অবিলম্বে ‘শো-কজ’ করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।নিজের বিধানসভা এলাকায় এমন অব্যবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, “আমি এত শিবির ঘুরলাম। এখানে সবচেয়ে খারাপ ব্যাণ্ডিং প্রমোশন করা হয়েছে। দুঃখের বিষয় এটা আমার বিধানসভা, আমার পৌরসভা। দেখলেন তো কিভাবে ছবির ব্যানার গুলো ঝুলিয়ে রেখেছে। আসলে এই বোর্ডটা তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড৷ আমি প্রশাসনের অন্যান্য অফিসারদের বিষয়টি জানাবো।”

