কালিয়াগঞ্জে বয়রা কালীমাতার পুজোর ফুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতে পায়ে ঠেকালেন এক তৃণমূল কর্মী, সমালোচনার ঝড় জেলা জুড়ে

স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ১৩ মার্চ: কালিয়াগঞ্জের জাগ্রত দেবী বয়রা কালীমাতার পুজোর ফুল মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবিতে পায়ে ঠেকালেন এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। দেবীর প্রসাদী ফুল মমতার ছবির পায়ে ঠেকানো নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে কালিয়াগঞ্জ সহ গোটা উত্তর দিনাজপুর জেলাতে।

কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা তৃণমূল কর্মী শুভ্র প্রতিম রায় মাকালীর প্রসাদী ফুলের থালা ও মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ( ফেসবুকে) পোস্ট করেছেন। তাতে দেখাযাচ্ছে মায়ের পূজার ফুল মমতা ব্যানার্জির চোট লাগা পায়ে ঠেকেনো হচ্ছে। ফেসবুকে পোস্ট করার সাথে সাথেই ভাইরাল হয় সেই ছবি। বিনাশকালে বিপরীত বুদ্ধি বলে মন্তব্য বিজেপির। বিনাশের সময় এসে গেছে তৃণমূল কংগ্রেসের তাই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন শুভ্র প্রতিম রায়, এমনটাই মন্তব্য জেলা বিজেপি নেতৃত্বের।

জানাগেছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আরোগ্য কামনায় বয়রা কালীমাতার মন্দিরে পুজো দিতে যান কালিয়াগঞ্জ শহরের স্কুলপাড়ার বাসিন্দা শুভ্র প্রতিম রায়। মুখ্যমন্ত্রীর ছবি নিয়ে মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর মায়ের প্রসাদী ফুল পুরোহিত মমতার ছবির পায়ে ঠেকিয়ে দেন। পরে যদিও সেই ফুল মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে মাথায় ঠেকিয়ে দেন শুভ্র প্রতিম। বয়রা কালীমন্দিরে মমতার আরোগ্য কামনায় পুজো দেওয়ার ছবিও সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি। এরপরই সোস্যাল মিডিয়ায় এই ছবি নিয়ে ঝড় ওঠে। দেবী মায়ের প্রসাদী ফুল মাথার বদলে পায়ে ঠেকানোয় ব্যাপক বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করে জেলা বিজেপির সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী কটাক্ষ করে বলেন, বিনাশ কালে বিপরীর বুদ্ধি। তৃণমূল কংগ্রেসের বিনাশের সময় হয়ে গিয়েছে তাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তৃণমূল কর্মী শুভ্র প্রতিম রায়ের সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আমার কাছে মায়ের মতো। মায়ের দ্রুত আরোগ্য কামনায় আমি বয়রা কালীমন্দিরে পুজো দিয়েছি। মন্দিরের পুরোহিত পুজোর ফুল ছবিতে ঠেকানোর সময় আমার হাতে থাকা মুখ্যমন্ত্রীর ছবি হেলে যাওয়ায় পুরোহিতের দেওয়া ফুল পায়ে লেগে গিয়েছিল। পরে আমি তা মাথায় ঠেকিয়েছি। বিজেপি এনিয়ে অপপ্রচার করছে। যদিও আমি বিজেপির এসব চক্রান্তকে পাত্তা দিচ্ছিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *