অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ২৬ এপ্রিল: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রাজ্যপালের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা কেড়ে নিতে পশ্চিমবঙ্গে অনেক বিতর্ক হয়েছে। এই ক্ষমতা বিলোপের বিল পেশ হয়ে গেল তামিলনাড়ু বিধানসভায়।
শিক্ষাবিদ তথা প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ বাসব চৌধুরী এর সমালোচনা করেছেন। এই প্রতিবেদককে মঙ্গলবার তিনি জানান, “এই বিষয়ে আমার প্রতিক্রিয়া একটাই। উপাচার্য না বলে পদটির নাম প্রশাসক করে দিলে সব দিক থেকে শোভন হয়। আচার্য যখন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ভূমিকা পালন করেন না, তখন খামখা তাঁর ‘উপ’ কেন? বরং আইনে লিখে দেওয়া ভাল কার ‘উপ’ হলে ওই পদটি পাওয়া যাবে।
আর আচার্য যদি নিয়োগে সম্মতি না দিয়ে থাকেন, তবে তেমন ভাবে নিযুক্ত মানুষরা নিজেদেরকে উপাচার্য হিসেবে দাবি করবেন, এটা কি ঠিক? কোথাও মস্ত বড় ভুল হয়ে যাচ্ছে না? এর উত্তর ওই বড় মানুষরা দিতে পারবেন। সাধু সাধু।”
প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুতে এই বিলের ফলে এম কে স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকে সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাতের পথ আরও প্রশস্ত হল। এদিকে, রাজ্যপাল আর এন রবি মঙ্গলবারই উটিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে দু’দিনের সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। এই সময়েই বিধানসভায় নিয়ে আসা হয়েছে তামিলনাড়ু বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী বিলটি। মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের যুক্তি, উপাচার্য নিয়োগে রাজ্য সরকারের ক্ষমতা কম থাকলে উচ্চশিক্ষায় তার প্রভাব পড়বে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজের রাজ্য গুজরাটের উদাহরণ টেনে নিয়ে এসেছেন তিনি। বিরোধী এডিএমকে এবং বিজেপি এই বিলের বিরোধিতা করেছে।

