পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৫ ফেব্রুয়ারি: বালুরঘাটে খোদ টাউন তৃণমূল সভাপতির ওয়ার্ডেই পড়ল বিক্ষুব্ধ পোস্টার। যাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো শহরের ১১ নং ওয়ার্ডে। বিভিন্ন এলাকাজুড়ে লাগানো সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে ‘বিপদে যাকে পাই, তাকেই প্রার্থী চাই’। শুধু তাই নয়, অপর একটি পোস্টারে লেখা হয়েছে ‘১১ নং ওয়ার্ডের অযোগ্য প্রার্থী বিপুল কান্তি ঘোষকে মানব না, মানব না। কলোনী থেকেই প্রার্থী চাই।’ শনিবার সকাল থেকে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ এমন পোস্টারে ছেয়ে যায় খোদ বালুরঘাট টাউন তৃণমূল সভাপতি বিমান দাসের নিজের এলাকা। ওয়ার্ডের বিস্তৃতি অনেকটা থাকলেও শুধুমাত্র বেছে বেছে তার বাড়ির সংলগ্ন এলাকাতেই কেন পোস্টার পড়ল? পুরভোটের আগে তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে বালুরঘাট শহরে।

গোটা রাজ্যের সঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ডেও তৃণমূল তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে শুক্রবার। ঘোষণার কয়েক ঘন্টা পরেই বদলও করা হয়েছে ৭ প্রার্থীর নাম। শুরু হয়েছে শহর জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় দলের কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভের ঘটনা। তারই মাঝে এদিন সকালে সামনে আসে ১১ নং ওয়ার্ডে বিক্ষুব্ধ পোস্টারের ঘটনা। ১১ নং ওয়ার্ড বালুরঘাট টাউন তৃণমূল সভাপতি বিমান দাসের এলাকা বলেই পরিচিত। যেখানে প্রার্থী ঘোষণার আগে একগুচ্ছ মুখ সামনে আসে। যে তালিকায় বিদায়ী কাউন্সিলর থেকে শুরু করে খোদ টাউন তৃণমূল সভাপতি সহ বেশ কয়েকজন নেতার নামও উঠে এসেছিল। শুক্রবার যে সব নামের তালিকা একপ্রকার উড়ে গিয়ে প্রার্থী হিসাবে ওই ওয়ার্ডে সামনে আসে বিপুল কান্তি ঘোষের নাম। আর যার পরেই কিছুটা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের একাংশ তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। শনিবার শহরের অভিযাত্রী ও চৌরঙ্গী পাড়া এলাকায় বিপুল কান্তি ঘোষকে প্রার্থী হিসাবে মানছি না মানব না এমন পোস্টারে ভরে যায় এলাকা। যাকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পরে যায় এলাকায়।
যদিও বালুরঘাট টাউন তৃণমূল সভাপতি বিমান দাসের বক্তব্য, প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা থাকতেই পারে। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। সরস্বতী পুজোর ব্যস্ততায় এই ঘটনা তিনি জানতে পারেননি। তবে বিষয়টির সঙ্গে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে দলের তরফে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

