হেমতাবাদে পণের বলি এক গৃহবধূ, গ্রেপ্তার স্বামী, দেওয়র ও শাশুড়ি

স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ১৪ জানুয়ারি: উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে পণের দাবিতে বলি এক গৃহবধূ। ঘটনায় স্বামী, দেওয়র ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ৷

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে জেলার কালিয়াগঞ্জের অনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা তাজিমুল ইসলামের মেয়ে রাহানু বানু’র(২১) বিয়ে হয়েছিল হেমতাবাদ থানার চৈনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘাগরা এলাকার মস্তাফিজুল রহমান নামে এক যুবকের সঙ্গে। পেশায় রাজমিস্ত্রীর হেল্পার ওই যুবক। বিয়ের পর থেকেই ওই তরুণীর ওপর টাকার জন্য নির্যাতন চলত বলে অভিযোগ। এনিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সালিশি সভা হলেও সমস্যা মেটেনি। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন অব্যাহত ছিল। এরপর তাকে শ্বাসরোধ করে মেরে বাড়ির বারান্দায় ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে শ্বশুর বাড়ি পৌঁছান মেয়ের বাড়ির লোকজন। কিন্তু ততক্ষণে অভিযুক্তরা সকলেই চম্পট দেয়। পরে হেমতাবাদ থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মেয়ের বাবা তাজিমুল ইসলামের অভিযোগ, “মেয়েকে বিয়ের পর থেকে অত্যাচার করত স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকেরা৷ মেয়েকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি।” পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *