আমাদের ভারত, ৭ মার্চ: যারা সিএএ এবং নুপূর শর্মার বক্তব্য নিয়ে গোলমাল করেছিল, তারাই হিন্দুদের অনুষ্ঠানে হামলা করেছে। ইচ্ছে করে হিন্দুদের উৎসবে গোলমাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। এই সব কিছুর মোকাবিলায়, প্রয়োজনে হিন্দুরা হাতে অস্ত্র তুলে নেবে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে হিন্দুদের আটকানোর বাহানা খুঁজতেই এই হামলা চালানো হচ্ছে।
দিলীপ ঘোষের মতে নানা অজুহাতে হিন্দুদের উৎসব যাতে বন্ধ হয়ে যায় তার চেষ্টা চলছে। বাহানা খুঁজতে গোলমাল বাধানোর চেষ্টা চলছে। দিলীপ ঘোষের কথায়, “হিন্দুদের উৎসবে ইচ্ছে করে গোলমাল করা হচ্ছে। তারাই করছে, যারা নির্বাচনে গন্ডগোল করে। তারাই করে, যারা সিএএর পর আক্রমণ করেছে। নুপূর শর্মার বক্তব্য নিয়ে আক্রমণ করেছে। এখানেও গন্ডগোল করেছে। আর বাহানা দিয়ে হিন্দুদের ধর্ম কর্ম বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীকালে হিন্দুদের শোভাযাত্রা আর বেরোবে না। হিন্দুদের বাড়ির মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। এটাই রাজনীতি। ভোট দিতে বেরবে না হিন্দুরা। ওরা নিজেরা লুটেপুটে খাবে।
দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমার মনে হয় এই বাহানা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। হিন্দুরা তাদের মত করে উৎসব পালন করবে। বাকিরা তাদের মত উৎসব করবে। আর যদি তলোয়ার বোম আছে বলে আটকায়, তখন হিন্দুরা নিজেদের ধার্মিক অধিকার রক্ষা করার জন্য অস্ত্র হাতে নামবে। নামার দরকার আছে, নাইলে এরা সব বন্ধ করে দেবে।
রামনবমীর মিছিলে হামলা পরবর্তী হিংসায় হনুমান জয়ন্তীতে রাজ্যে আধা সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতারা রামনবমী নিয়ে কোনো বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করতে পারবেন না বলেও জানিয়েছিল আদালত।

