আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৫ আগস্ট:
সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রতিশ্রুতি পূরণে যশোর রোডের বিপজ্জনক ও শুকনো গাছ কাটার কাজ জোরকদমে শুরু হয়েছে। বুধবার পেট্রাপোল থানা এলাকায় এই গাঠ কাটার কাজ সরেজমিনে তদারকি করতে যান রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। পরিদর্শনকালে তিনি কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার স্পষ্ট নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী জানান, নির্বাচনী ইস্তেহারেই এই বিপজ্জনক গাছগুলি চিহ্নিত করে তা কেটে ফেলার অঙ্গীকার করা হয়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরে যশোর রোডের দু’পাশে হেলে থাকা ও মরে যাওয়া গাছগুলি পথচলতি মানুষ ও যানবাহন চলাচলের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পূর্ববর্তী সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, “এই কাজ আরও অনেক আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিগত সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই এতদিন এই প্রক্রিয়া আটকে ছিল।” তবে বর্তমানে রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ থাকার কারণে জনস্বার্থের যে কোনো প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ণ করা সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রাথমিক ধাপে মোট ১১১টি বিপজ্জনক ও মৃত গাছ চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলি কাটার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আগামী এক মাসের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ঠিকাদারকে পর্যাপ্ত লোকবল বৃদ্ধি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যশোর রোডের উপর বনগাঁ পুরসভা এলাকায় অবস্থিত বিপজ্জনক গাছগুলিকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আগে কাটার পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী, যাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঝুঁকি দ্রুত হ্রাস পায়। যশোর রোডের এই বিপজ্জনক গাছ অপসারণের কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

