আমাদের ভারত, হাওড়া, ২৮ অক্টোবর: একসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের কানাকাটাপাস অভিযানে গিয়েছিলেন বাগনানের সরিৎ শেখর দাস, চন্দ্রশেখর দাস এবং সাগর দে। আর বৃহস্পতিবার সকাল তিনজনে একসঙ্গে ফিরলেন যদিও সকলেই ফিরল কফিনবন্দী হয়ে। আর প্রিয়জনদের এইভাবে ফিরতে দেখে কান্নার রোল উঠল বাগনানের মুরালিবাড় গ্রামে।

কানাকাটাপাস অভিযানে গিয়ে মৃত্যু হওয়া রাজ্যের ৫ অভিযাত্রীর কফিনবন্দি দেহ ফিরল বৃহস্পতিবার। এদিন সকালে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে একটি বিমানে বাগনানের ৩ অভিযাত্রী সরিৎ শেখর দাস, চন্দ্রশেখর দাস এবং সাগর দে’র মৃতদেহ কলকাতা বিমানবন্দরে আসে। পরে আরও একটি বিমানে ২ অভিযাত্রী ঠাকুরপুকুরের সাধন বসাক এবং রানাঘাটের প্রীতম রায়ের দেহ কলকাতা বিমানবন্দরে আসে। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে রাজ্য সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের জনসাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায়, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু এবং কারা মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস।

এদিন সকাল ৮ টা ৩০ নাগাদ বাগনানের ৩ অভিযাত্রীর কফিনবন্দী দেহ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায় দেহগুলি নিয়ে বাগনানের পথে রওনা দেন। বেলা ১০ টা ১৫ মিনিট নাগাদ ৩ অভিযাত্রীর দেহ বাগনানে পৌছানোর পরেই কান্নার রোল ওঠে গোটা এলাকায়। হাজার হাজার মানুষের চোখের জলে শোকস্তব্ধ হয় ওঠে এলাকা। এদিন প্রথমে সাগর দে’র মৃতদেহ তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সরিৎ শেখর দাস ও চন্দ্রশেখর দাসের মৃতদেহ তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিন ৩ অভিযাত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী পুলক রায়, জেলাশাসক মুক্তা আর্য, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সৌম্য রায়, উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক শমীক কুমার ঘোষ সহ অন্যান্যরা। এদিন সাগর দে’র মৃতদেহ বাগনান থেকে তার দেশের বাড়ি আমতার উদংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনটি মৃতদেহ বাউড়িয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।

